সর্বশেষ :
স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে দেশের প্রতিটি নাগরিককে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ডলফিনের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড চীন, সরানো হলো ১০ লাখের ‍অধিক মানুষ ইরান ইস্যুতে কার্টারের মতোই ফাঁদে পড়েছেন ট্রাম্প! আইসিসির ‘প্লেয়ার অফ দ্য মান্থ’ পুরস্কারের তালিকায় তানজিদ হরমুজ খোলা নিয়ে অনিশ্চয়তা, বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম বাংলা কিউআর কোডে লেনদেন হবে ফ্রি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে রাজনৈতিক মানসিকতার পরিবর্তন জরুরি : রিজভী আইসিসির সেরা ক্রিকেটারদের তালিকায় ম্যাথিউস-হারশিতা ও সিভার রদ্রিকে দলে ভেড়াতে মরিয়া বার্সেলোনা, অনিশ্চিত ডি ইয়ংয়ের ভবিষ্যৎ এশিয়ার তেলের বাজারের ‘ইরান-ধাক্কা’ একাই সামলে দিচ্ছে চীন

স্ত্রীসহ পলকের আয়কর নথি জব্দের আদেশ

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৫-১৮, | ১৪:৩৪:৩২ |

সাবেক ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এবং তার স্ত্রী আরিফা জেসমিন কনিকার গত ১৫ বছরের আয়কর নথি জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

আজ সোমবার (১৮ মে) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ এই আদেশ দেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন। ​দুদকের সহকারী পরিচালক মিনহাজ বিন ইসলাম  আবেদনটি করেন।

দুদকের আবেদন অনুযায়ী, জুনাইদ আহমেদ পলক ক্ষমতার অপব্যবহার করে এবং বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন। ​পলক ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে।

প্রাথমিক অনুসন্ধানে তাদের নামে ৯ কোটি ৯৮ লাখ ৯৩ হাজার ৪৩৯ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের হদিস পাওয়া গেছে যা তাদের আয়ের উৎসের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ। তাদের নামে পরিচালিত ৩১টি ব্যাংক হিসাবে মোট ২২ কোটি ৯৪ লাখ ৭১ হাজার ৯৭৯ টাকা জমা এবং ১৭ কোটি ৫৮ লাখ ৮২ হাজার ৮৭৭ টাকা উত্তোলনের প্রমাণ মিলেছে। এই অস্বাভাবিক লেনদেনগুলো মানিলন্ডারিংয়ের আওতায় পড়ে বলে ধারণা করছে দুদক। অনুসন্ধানের স্বার্থে ২০০৮-২০০৯ করবর্ষ হতে ২০২৪-২০২৫ করবর্ষ পর্যন্ত পলক ও তার স্ত্রীর নামে দাখিলকৃত আয়কর নথির মূল কপি এবং সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্র সংগ্রহ করা অত্যন্ত জরুরি।

এসব নথিতে থাকা তথ্য গোপন বা সম্পদের রূপান্তর রোধে এগুলো আদালতের মাধ্যমে জব্দ করা প্রয়োজন। 

​আবেদনে আরো বলা হয়, জুনাইদ আহমেদ পলক ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(১) ধারা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় অভিযোগের তদন্ত চলছে। তদন্ত কর্মকর্তা আদালতকে জানান, মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাদের আয়কর নথিগুলো জব্দ করা না হলে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও প্রমাণ লোপাটের সম্ভাবনা রয়েছে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..