সর্বশেষ :
স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে দেশের প্রতিটি নাগরিককে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ডলফিনের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড চীন, সরানো হলো ১০ লাখের ‍অধিক মানুষ ইরান ইস্যুতে কার্টারের মতোই ফাঁদে পড়েছেন ট্রাম্প! আইসিসির ‘প্লেয়ার অফ দ্য মান্থ’ পুরস্কারের তালিকায় তানজিদ হরমুজ খোলা নিয়ে অনিশ্চয়তা, বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম বাংলা কিউআর কোডে লেনদেন হবে ফ্রি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে রাজনৈতিক মানসিকতার পরিবর্তন জরুরি : রিজভী আইসিসির সেরা ক্রিকেটারদের তালিকায় ম্যাথিউস-হারশিতা ও সিভার রদ্রিকে দলে ভেড়াতে মরিয়া বার্সেলোনা, অনিশ্চিত ডি ইয়ংয়ের ভবিষ্যৎ এশিয়ার তেলের বাজারের ‘ইরান-ধাক্কা’ একাই সামলে দিচ্ছে চীন

অবশেষে জামিন পেলেন নাবালক ৩ সন্তানের সেই মা

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৫-১৩, | ২১:৩৯:৩২ |
অবশেষে জামিন পেলেন নওগাঁর কারাগারে বন্দি নাবালক তিন সন্তানের মা আঁখি খাতুন। বুধবার (১৩ মে) বিকেল ৪টার দিকে তিনি জামিন পান। মাদক মামলায় ভ্রাম্যমাণ আলাদাতের আদেশে গেল ১৫ দিন ধরে নওগাঁর জেলা কারাগার বন্দি ছিলেন তিনি।

গত মার্চ মাসে মারা যান বাবা। একমাত্র আশ্র‍য় মাও জেলে। আর জেল গেটে এসে দিনের পর দিন দাঁড়িয়ে থাকে অসহায় শিশু সন্তানরা। সামান্য আইনি সহায়তা দেওয়ার কেউ ছিল না অসহায় তিন প্রতিবন্ধী সন্তানের মায়ের।

এমন সংবাদ প্রচারিত হয় একটি বেসরকারি টেলিভিশিনে। যা নজর এড়ায়নি প্রধানমন্ত্রীর। এরপর সাথে সাথেই বিষয়টি খতিয়ে দেখতে ও অসহায় সেই নারীকে আইনি সহায়তা সহায়তা দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে স্থানীয় বিএনপি নেতারা নামেন আইনি লড়াইয়ে। অবশেষে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় শেষে জামিন পান আঁখি খাতুন।

জানা গেছে, গতকাল রাতে মহাদেবপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি রবিউল আলম বুলেটকে নির্দেশ দেন আইনি সহায়তা দিয়ে পরিবারটির পাশে দাঁড়ানোর জন্য। পরে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই নাবালক তিন সন্তানের জননী অসহায় সেই আঁখি খাতুনে জামিনের ব্যবস্থা হয়। জামিনের পর আজই কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন তিনি।

মুক্তির পর তিনি তিন সন্তানকে বুকে জড়িয়ে নেন তিনি। অনেকটা আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন। দীর্ঘদিন পর সন্তানদের এভাবে বুকে জড়িয়ে নিয়ে তিনি যেন অন্যরকম এক শক্তির নিঃশ্বাস ফেললেন। একইসঙ্গে তার সন্তানরাও প্রধানমন্ত্রীর এমন মানবিক উদ্যোগে যেন অন্ধকারে দিশা খুঁজে পেলেন।


এ বিষয়ে নওগাঁ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বর্তমান সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) মো. শাহরিয়ার বলেন, ‘আমাকে জানানো হয় প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন। ওই নারী যেন আইন অনুযায়ী ন্যায়বিচার ও প্রতিকার পান, সে বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে এবং অগ্রগতি জানানোসহ বিষয়টি খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেন।’

এর পরপরই তাৎক্ষণিকভাবে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়। পরে বিষয়টি সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ রকনুজ্জামানের নজরে আনা হলে আদালত আসামিপক্ষকে আবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবু জায়েদ মোহাম্মদ রফিকুল আলম রফিক আবেদন উপস্থাপন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত সন্তুষ্ট হয়ে ওই নারীকে জামিন মঞ্জুর করেন।

তিনি বলেন, ‘ভদ্র মহিলা ইতোমধ্যে কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন। তিনি এখন আমাদের এখানেও উপস্থিত আছেন। আইন অনুযায়ী তিনি যে প্রতিকার পাওয়ার অধিকারী ছিলেন, সেটিই তিনি পেয়েছেন।’

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..