✕

সর্বশেষ :
পশ্চিম তীরে জলপাই সংগ্রহে বাধা, আটক ফিলিস্তিনি নারীরা খুলনায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কলেজছাত্র নিহত ইন্সপেক্টর পদে পদোন্নতি পেলেন ১৪৯ পুলিশ সদস্য হুতির হামলায় অস্থির সৌদি, একের পর এক ভুলের খেসারত দিচ্ছে রিয়াদ সৌরবিদ্যুতে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা নতুন ঋণচুক্তির বিষয়ে আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নিচ্ছে বাংলাদেশ চার বছরে তাপপ্রবাহে ইউরোপে ২ লাখের বেশি মৃত্যু, সতর্ক করল ডব্লিউএইচও বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হওয়ার পথে ইলন মাস্ক যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতে কোভিড আমলের ঝুঁকিতে বৈশ্বিক অর্থনীতি : বিশ্বব্যাংক সমুদ্রের তলদেশে বিশ্বের প্রথম বায়ুবিদ্যুৎচালিত ডেটাসেন্টার চালু করল চীন

সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব আগামীর বাহন ইলেকট্রিক বাইক

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৫-১০, | ১৯:৫৬:০৯ |
যাতায়াতে খরচ কমানো ও পরিবেশ রক্ষার তাগিদে বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় হচ্ছে ইলেকট্রিক বাইক বা ই-বাইক। জ্বালানি তেলের ক্রমবর্ধমান দাম ও বায়ুদূষণ রোধে এই বাহন এখন সময়ের দাবি। বাংলাদেশেও ধীরে ধীরে ব্যক্তিগত যাতায়াতের ক্ষেত্রে এটি একটি নির্ভরযোগ্য বিকল্প হিসেবে জায়গা করে নিচ্ছে।

সাশ্রয়ী যাতায়াত
ইলেকট্রিক বাইকের সবচেয়ে বড় সুবিধা এর নামমাত্র পরিচালনা খরচ। প্রচলিত জ্বালানিচালিত মোটরসাইকেলে প্রতি কিলোমিটারে যেখানে আড়াই থেকে তিন টাকা খরচ হয়, সেখানে ই-বাইকে খরচ হয় মাত্র ১৫ থেকে ২০ পয়সা। এতে কোনো ইঞ্জিন না থাকায় মোবিল পরিবর্তন বা মেকানিক্যাল জটিলতা নেই বললেই চলে। বাসায় থাকা সাধারণ প্লাগ পয়েন্টে এর ব্যাটারি চার্জ দেওয়া সম্ভব। একবার পূর্ণ চার্জে বাইকভেদে ৫০ থেকে ৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত অনায়াসে যাতায়াত করা যায়।

পরিবেশ রক্ষায় ভূমিকা
শহরাঞ্চলে বায়ুদূষণের অন্যতম প্রধান কারণ যানবাহনের ধোঁয়া। ইলেকট্রিক বাইক ব্যাটারিচালিত হওয়ায় এতে কোনো ধোঁয়া নির্গত হয় না। পাশাপাশি এটি অত্যন্ত শব্দহীন, যা শব্দদূষণ কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখে। পরিবেশবিদদের মতে, কার্বন নিঃসরণ কমাতে এই ধরনের পরিবেশবান্ধব যানবাহনের ব্যবহার যত বাড়বে, শহরগুলো তত বেশি বাসযোগ্য হয়ে উঠবে।

ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ
বাংলাদেশের বাজারে এখন বিভিন্ন মানের ইলেকট্রিক বাইক পাওয়া যাচ্ছে। লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারির ব্যবহার বাড়ায় এগুলোর স্থায়িত্বও আগের চেয়ে বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকারিভাবেও এই খাতের প্রসারে নীতিমালা প্রণয়ন ও উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে। তবে এর কিছু সীমাবদ্ধতাও রয়েছে। পর্যাপ্ত চার্জিং স্টেশনের অভাব ও দীর্ঘ পথে যাতায়াতের ক্ষেত্রে চার্জ শেষ হয়ে যাওয়ার ভয় গ্রাহকদের মনে এখনো রয়ে গেছে। ব্যাটারি নষ্ট হয়ে গেলে তা পরিবর্তন করতে বেশ মোটা অঙ্কের টাকা খরচ হয়, যা অনেক ব্যবহারকারীর জন্য চিন্তার কারণ।

ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা
যারা প্রতিদিন অল্প দূরত্বে বা শহরের মধ্যে যাতায়াত করেন, তাঁদের জন্য এটি চমৎকার সমাধান। বিশেষ করে শিক্ষার্থী ও চাকরিজীবীদের কাছে ই-বাইক দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছে। তবে কেনার আগে ব্যাটারির ওয়ারেন্টি, সার্ভিসিং সেন্টার এবং পার্টসের সহজলভ্যতা যাচাই করে নেওয়া জরুরি।

প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে এই খাতের সমস্যাগুলো দূর হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, আগামী কয়েক বছরের মধ্যে বাংলাদেশের সড়কে ইলেকট্রিক বাইকের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাবে, যা টেকসই যাতায়াত ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..