সর্বশেষ :
স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে দেশের প্রতিটি নাগরিককে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ডলফিনের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড চীন, সরানো হলো ১০ লাখের ‍অধিক মানুষ ইরান ইস্যুতে কার্টারের মতোই ফাঁদে পড়েছেন ট্রাম্প! আইসিসির ‘প্লেয়ার অফ দ্য মান্থ’ পুরস্কারের তালিকায় তানজিদ হরমুজ খোলা নিয়ে অনিশ্চয়তা, বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম বাংলা কিউআর কোডে লেনদেন হবে ফ্রি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে রাজনৈতিক মানসিকতার পরিবর্তন জরুরি : রিজভী আইসিসির সেরা ক্রিকেটারদের তালিকায় ম্যাথিউস-হারশিতা ও সিভার রদ্রিকে দলে ভেড়াতে মরিয়া বার্সেলোনা, অনিশ্চিত ডি ইয়ংয়ের ভবিষ্যৎ এশিয়ার তেলের বাজারের ‘ইরান-ধাক্কা’ একাই সামলে দিচ্ছে চীন

‘ধোনি ফ্যাক্টর’ নির্বাচনে জিতিয়েছে থালাপতি বিজয়কে!

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৫-০৬, | ১৪:২২:১০ |
নাটকীয়তায় ভরা ২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে যেমন পতন হয়েছে ১১ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেসের, তেমনি তামিলনাড়ুতে উত্থান ঘটেছে তামিলাগা ভেট্ট্রি কাজাগামের (টিভিকে)।

দক্ষিণী সিনেমার সুপারস্টার চন্দ্রশেখর জোসেফ বিজয় তথা থালাপতি বিজয়ের রাজনীতির খেলায় অভিষেককে অনেকেই তুলনা করছেন ব্লকবাস্টার সিনেমার সঙ্গে। তবে একাংশের মতে, এই সাফল্যের পেছনে ছিল চেন্নাই সুপার কিংসের ‘ক্যাপ্টেন কুল’ অর্থাৎ ধোনির কৌশলগত ছাপ।

বিধানসভা নির্বাচন শেষ হতে না হতেই আইপিএলের ফ্র্যাঞ্চাইজি চেন্নাই সুপার কিংসের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা 'ইয়েলো ওয়েভ' যেন এবার তামিলনাড়ুর রাজনৈতিক মানচিত্রেও রঙ ছড়িয়ে দিয়েছে।

নির্বাচনে থালাপতি বিজয়ের দলের জয়ের পর সমর্থকদের একটি অংশ তার প্রচারের কৌশলে বিশেষ এক ছন্দ খুঁজে পেয়েছেন। গত বছর রাজনৈতিক কৌশলবিদ প্রশান্ত কিশোর (বিহারে জন্ম নেয়া জন সুরাজ পার্টির প্রতিষ্ঠাতা) যখন এই দক্ষিণী সুপারস্টারের দল টিভিকে’র সঙ্গে যুক্ত হন, তখনই তিনি সাফল্যের জন্য একটি ব্যতিক্রমী মানদণ্ড স্থির করেছিলেন।



তিনি বলেছিলেন, ‘আমাকে তামিলনাড়ুতে সবচেয়ে জনপ্রিয় বিহারি হতে হবে। সেটা করতে হলে আমাকে এমএস ধোনির সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হবে। ধোনি যেমন সিএসকেকে জেতান, তেমনি আমি আপনাদের নেতার অধীনে টিভিকেকে জেতাব।’

ধোনির নাম উচ্চারণ করে কিশোর যেমন স্পষ্ট প্রত্যাশা তৈরি করেছিলেন, তেমনি রাজ্যের বিপুল ধোনি-সমর্থকদের দৃষ্টিও টেনে নিয়েছিলেন। সবচেয়ে চোখে পড়ার মতো মিল ছিল টিভিকের নির্বাচনী প্রতীক ‘হুইসেল’।

সাধারণ তামিল ভোটারের কাছে এই হুইসেল মানেই সিএসকের বিখ্যাত ‘হুইসেল পডু’ (হুইসেল বাজাও) স্লোগান। পুরো প্রচারণাজুড়ে টিভিকের সমাবেশগুলো অনেকটা এমএ চীদাম্বরম স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে সিএসকে সমর্থকদের জমায়েতের মতো মনে হয়েছে।

অনেক নতুন ভোটারের কাছে মাঠে ‘থালা’ ধোনিকে সমর্থন করা থেকে ভোটকেন্দ্রে ‘থালাপতি’ বিজয়কে ভোট দেওয়া যেন স্বাভাবিক এক আনুগত্যের ধারাবাহিকতা ছিল। ২০২৬ সালের নির্বাচনের শেষ পর্যায়ে যখন টিভিকে ১০০ আসনের গণ্ডি পেরিয়ে যায়, তখন বিজয়ের রাজনৈতিক ‘ফিনিশিং’ অনেকের কাছে ধোনির ক্রিকেটীয় ফিনিশিংয়ের কথা মনে করিয়ে দেয়।

তবে ‘ধোনি ফ্যাক্টর’–এর সঙ্গে এসেছে ধোনি-ধাঁচের একটি চ্যালেঞ্জও। ১০৮টি আসন নিয়ে বিজয় এখনো ১১৮ আসনের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে পিছিয়ে আছেন। ফলে রাজ্য এখন এক ধরনের ‘সুপার ওভার’ পরিস্থিতিতে প্রবেশ করেছে, যার সমাধান আসবে আলোচনা, সমঝোতা এবং জোট গঠনের মাধ্যমে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..