✕

সর্বশেষ :
পশ্চিম তীরে জলপাই সংগ্রহে বাধা, আটক ফিলিস্তিনি নারীরা খুলনায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কলেজছাত্র নিহত ইন্সপেক্টর পদে পদোন্নতি পেলেন ১৪৯ পুলিশ সদস্য হুতির হামলায় অস্থির সৌদি, একের পর এক ভুলের খেসারত দিচ্ছে রিয়াদ সৌরবিদ্যুতে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা নতুন ঋণচুক্তির বিষয়ে আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নিচ্ছে বাংলাদেশ চার বছরে তাপপ্রবাহে ইউরোপে ২ লাখের বেশি মৃত্যু, সতর্ক করল ডব্লিউএইচও বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হওয়ার পথে ইলন মাস্ক যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতে কোভিড আমলের ঝুঁকিতে বৈশ্বিক অর্থনীতি : বিশ্বব্যাংক সমুদ্রের তলদেশে বিশ্বের প্রথম বায়ুবিদ্যুৎচালিত ডেটাসেন্টার চালু করল চীন

চেয়ারে বসে এই ব্যায়াম করলে বাড়বে পেশির জোর, কমবে বাতের ব্যথা

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৫-০২, | ১৪:০৮:২৫ |
বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আপনার শরীরে পেশির শক্তি কমে যাওয়া এবং বাতের ব্যথায় ভোগা খুব স্বাভাবিক ঘটনা। তবে নিয়মিত শরীরচর্চা বা যোগব্যায়াম এ সমস্যাগুলো নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে। যাদের হাঁটুর সমস্যা রয়েছে, চেয়ারে বসে করা যোগব্যায়াম অত্যন্ত কার্যকর এবং নিরাপদ। কারণ বয়স হলেই পিঠ-কোমরের ব্যথা নাজেহাল করে। গাঁটে গাঁটে যন্ত্রণা কমতে চায় না। বিশেষ করে বয়স্কদের পক্ষে সব ধরনের ব্যায়াম করে পেশির জোর বৃদ্ধি করা সম্ভব নয়। তাই সে ক্ষেত্রে যোগাসনই কার্যকরী হতে পারে।

আপনার শরীরচর্চার পরামর্শ যে কোনো বয়সের ব্যক্তিকেই দেওয়া হয়ে থাকে। তবে সব বয়সেই কি ব্যায়াম করার মতো শারীরিক অবস্থা থাকে? ষাট পেরোলেই কোমর-পা-ঘাড়সহ অন্যান্য অস্থিসন্ধির ব্যথা কাবু করে ফেলে অনেককেই। অস্টিওআর্থ্রাইটিস, উচ্চ রক্তচাপসহ নানাবিধ অসুখে ভোগেন বহু ষাটোর্ধ্ব। এসব রোগের নিরাময়ে শরীরচর্চা উপকারী হলেও অনেকেরই ক্ষমতা থাকে না তা অভ্যাস করার। ব্যায়ামের সময়ে অতিরিক্ত বা বেকায়দায় চাপ পড়ে গেলেও হিতে বিপরীত হতে পারে। তাই বয়সকালে এমন ব্যায়াম করতে হবে, যা সহজেই করা যাবে এবং বাতের ব্যথাবেদনাও দূর হয়। চেয়ার পিজিয়ন পোজ বা চেয়ার কপোতাসন তেমনই একটি ব্যায়াম।

যেভাবে করবেন চেয়ার কপোতাসন
প্রথমত চেয়ারে পিঠ সোজা করে বসুন। দুই পায়ের পাতা মাটি স্পর্শ করে থাকবে। মাথা ও ঘাড় সোজা থাকবে। আর চেয়ারে হেলান না দিয়ে সোজা হয়ে বসুন। দুই হাত থাকবে কোলের ওপরে। এবার বাঁ পা ভাঁজ করে ডান ঊরু বা হাঁটুর ওপর রাখতে হবে। এরপর সামান্য ঝুঁকে বাঁ পায়ের হাঁটু ধরতে হবে। খেয়াল রাখবেন— মেরুদণ্ড যেন বেঁকে না যায়। এই ভঙ্গিতে ধীরে ধীরে শ্বাস নিতে ও ছাড়তে হবে। মনে মনে ১০ গুনে পা নামিয়ে নিতে হবে। এবারে একই পদ্ধতিতে অন্য পায়েও করতে হবে আসনটি। এভাবে ৩-৫ সেটে আসনটি অভ্যাস গড়ে তুলুন। নিজেকে স্বাভাবিক মনে হবে।

আর বেশি বয়সে আর্থ্রাইটিসসহ অন্যান্য কারণে নিতম্ব ও আশপাশের পেশির নমনীয়তা বৃদ্ধিতে আসনটি করতে পারেন। সায়াটিকার ব্যথা দূর করতে আসনটি করা যেতে পারে। আর দিনের অনেকটা সময় ডেস্কে বসে পিঠ ও কোমরের ব্যথায় যারা ভুগছেন, তাদের জন্য উপকারী আসনটি। কারণ গাঁটে গাঁটে ব্যথা ভোগালে আসনটি করা যেতে পারে। বয়সকালে আসনটি করলে কাফ মাসলের জোর বাড়বে, হাঁটাচলা করতে সমস্যা হবে না।

তবে সবার জন্য এ ব্যায়াম ঠিক নয়। যাদের হাঁটুতে অস্ত্রোপচার রয়েছে, তারা চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এ যোগাসন করা যাবে না। আর পিঠে আঘাত থাকলে বা স্লিপ ডিস্কের সমস্যা থাকলে আসনটি করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..