সর্বশেষ :
সারা দেশে ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে : প্রধানমন্ত্রী কুয়েতে বাসযাত্রীদের টার্গেট করে ডাকাতি, ৩ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার কম্বোডিয়ায় অনলাইন প্রতারণার অভিযোগে ১২ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার ইরানের পর আরো একটি দেশ দখলের ইঙ্গিত ট্রাম্পের ট্রাম্পের অবরোধের মুখে থাকা ইরানের জন্য বাণিজ্য পথ খুলল পাকিস্তান মিত্র দেশগুলোর কাছে ৮.৬ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন যুক্তরাষ্ট্রের হরমুজ ঘিরে ‘নতুন নিয়ম’ আনার ঘোষণা ইরানের জার্মানি থেকে ৫০০০ সৈন্য প্রত্যাহার করছে যুক্তরাষ্ট্র গুরুতর অসুস্থ ইরানি নোবেল বিজয়ী মানবাধিকারকর্মী নার্গিস মোহাম্মদী স্ক্রিপ্ট না পড়েই রাজি হয়ে যান, কারণ কি শুধুই বাবার ভয়

চেয়ারে বসে এই ব্যায়াম করলে বাড়বে পেশির জোর, কমবে বাতের ব্যথা

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৫-০২, | ১৪:০৮:২৫ |
বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আপনার শরীরে পেশির শক্তি কমে যাওয়া এবং বাতের ব্যথায় ভোগা খুব স্বাভাবিক ঘটনা। তবে নিয়মিত শরীরচর্চা বা যোগব্যায়াম এ সমস্যাগুলো নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে। যাদের হাঁটুর সমস্যা রয়েছে, চেয়ারে বসে করা যোগব্যায়াম অত্যন্ত কার্যকর এবং নিরাপদ। কারণ বয়স হলেই পিঠ-কোমরের ব্যথা নাজেহাল করে। গাঁটে গাঁটে যন্ত্রণা কমতে চায় না। বিশেষ করে বয়স্কদের পক্ষে সব ধরনের ব্যায়াম করে পেশির জোর বৃদ্ধি করা সম্ভব নয়। তাই সে ক্ষেত্রে যোগাসনই কার্যকরী হতে পারে।

আপনার শরীরচর্চার পরামর্শ যে কোনো বয়সের ব্যক্তিকেই দেওয়া হয়ে থাকে। তবে সব বয়সেই কি ব্যায়াম করার মতো শারীরিক অবস্থা থাকে? ষাট পেরোলেই কোমর-পা-ঘাড়সহ অন্যান্য অস্থিসন্ধির ব্যথা কাবু করে ফেলে অনেককেই। অস্টিওআর্থ্রাইটিস, উচ্চ রক্তচাপসহ নানাবিধ অসুখে ভোগেন বহু ষাটোর্ধ্ব। এসব রোগের নিরাময়ে শরীরচর্চা উপকারী হলেও অনেকেরই ক্ষমতা থাকে না তা অভ্যাস করার। ব্যায়ামের সময়ে অতিরিক্ত বা বেকায়দায় চাপ পড়ে গেলেও হিতে বিপরীত হতে পারে। তাই বয়সকালে এমন ব্যায়াম করতে হবে, যা সহজেই করা যাবে এবং বাতের ব্যথাবেদনাও দূর হয়। চেয়ার পিজিয়ন পোজ বা চেয়ার কপোতাসন তেমনই একটি ব্যায়াম।

যেভাবে করবেন চেয়ার কপোতাসন
প্রথমত চেয়ারে পিঠ সোজা করে বসুন। দুই পায়ের পাতা মাটি স্পর্শ করে থাকবে। মাথা ও ঘাড় সোজা থাকবে। আর চেয়ারে হেলান না দিয়ে সোজা হয়ে বসুন। দুই হাত থাকবে কোলের ওপরে। এবার বাঁ পা ভাঁজ করে ডান ঊরু বা হাঁটুর ওপর রাখতে হবে। এরপর সামান্য ঝুঁকে বাঁ পায়ের হাঁটু ধরতে হবে। খেয়াল রাখবেন— মেরুদণ্ড যেন বেঁকে না যায়। এই ভঙ্গিতে ধীরে ধীরে শ্বাস নিতে ও ছাড়তে হবে। মনে মনে ১০ গুনে পা নামিয়ে নিতে হবে। এবারে একই পদ্ধতিতে অন্য পায়েও করতে হবে আসনটি। এভাবে ৩-৫ সেটে আসনটি অভ্যাস গড়ে তুলুন। নিজেকে স্বাভাবিক মনে হবে।

আর বেশি বয়সে আর্থ্রাইটিসসহ অন্যান্য কারণে নিতম্ব ও আশপাশের পেশির নমনীয়তা বৃদ্ধিতে আসনটি করতে পারেন। সায়াটিকার ব্যথা দূর করতে আসনটি করা যেতে পারে। আর দিনের অনেকটা সময় ডেস্কে বসে পিঠ ও কোমরের ব্যথায় যারা ভুগছেন, তাদের জন্য উপকারী আসনটি। কারণ গাঁটে গাঁটে ব্যথা ভোগালে আসনটি করা যেতে পারে। বয়সকালে আসনটি করলে কাফ মাসলের জোর বাড়বে, হাঁটাচলা করতে সমস্যা হবে না।

তবে সবার জন্য এ ব্যায়াম ঠিক নয়। যাদের হাঁটুতে অস্ত্রোপচার রয়েছে, তারা চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এ যোগাসন করা যাবে না। আর পিঠে আঘাত থাকলে বা স্লিপ ডিস্কের সমস্যা থাকলে আসনটি করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..