সর্বশেষ :
পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির প্রমাণ পেলে কঠোর ব্যবস্থা সারা দেশে ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে : প্রধানমন্ত্রী কুয়েতে বাসযাত্রীদের টার্গেট করে ডাকাতি, ৩ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার কম্বোডিয়ায় অনলাইন প্রতারণার অভিযোগে ১২ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার ইরানের পর আরো একটি দেশ দখলের ইঙ্গিত ট্রাম্পের ট্রাম্পের অবরোধের মুখে থাকা ইরানের জন্য বাণিজ্য পথ খুলল পাকিস্তান মিত্র দেশগুলোর কাছে ৮.৬ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন যুক্তরাষ্ট্রের হরমুজ ঘিরে ‘নতুন নিয়ম’ আনার ঘোষণা ইরানের জার্মানি থেকে ৫০০০ সৈন্য প্রত্যাহার করছে যুক্তরাষ্ট্র গুরুতর অসুস্থ ইরানি নোবেল বিজয়ী মানবাধিকারকর্মী নার্গিস মোহাম্মদী

স্ক্রিপ্ট না পড়েই রাজি হয়ে যান, কারণ কি শুধুই বাবার ভয়

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৫-০২, | ১৪:১৪:৩৭ |
বলিউডের মিস্টার পারফেকশনিস্ট অভিনেতা আমির খান তার সিনেমার নির্বাচন খুব ভেবেচিন্তে করার জন্য পরিচিত। তবে তার ক্যারিয়ারে এমন কিছু মুহূর্তও এসেছে, যখন তিনি না ভেবেচিন্তে, না স্ক্রিপ্ট পড়ে— কোনোটাই করেননি কিন্তু সিনেমাটি করতে হ্যাঁ বলে দিয়েছিলেন। যদিও অনেক সময় তিনি কেবল আবেগতাড়িত হয়েও সিদ্ধান্ত নেন। তার ক্যারিয়ারে এমন দুটি সিনেমা রয়েছে, যেগুলোর স্ক্রিপ্ট তিনি কখনো পড়েননি। সম্প্রতি জাকির খানের সঙ্গে এক আলাপচারিতায় আমির খান এমন কথাই বলেন।

মিস্টার পারফেকশনিস্ট অভিনেতা বলেন, তিনি কেবল লজিক্যাল বা কৌশলগতভাবে চিন্তা করার পরিবর্তে অনেক সময় কেবল আবেগতাড়িত হয়ে তার সিনেমা নির্বাচন করেন। তিনি বলেন,  তিনি তার বাবার কাছ থেকে ভয় পেতেন এবং এমন কিছু মুহূর্তও ছিল যখন তিনি স্ক্রিপ্ট না পড়েই ছবিতে হ্যাঁ বলে দিয়েছিলেন।

আমির খান বলেন, 'আওয়াল নম্বর' ও 'তুম মেরে হো' সিনেমার স্ক্রিপ্ট না শুনেই স্বাক্ষর করেছিলেন। তিনি বলেন, তার বাবা তাহির হোসেনের ভূমিকার কথা স্মরণ করে বলেছিলেন যে তিনি তার বাবার দ্বারা খুব প্রভাবিত ছিলেন। 

মিস্টার পারফেকশনিস্ট বলেন, একবার তার বাবা তাকে বলেছিলেন যে, দেব আনন্দ তার সঙ্গে  দেখা করতে চেয়েছিলেন। সমস্যাটি ছিল যে আমির খানের সঙ্গে কথা না বলেই তার বাবা দেব আনন্দের সঙ্গে তার সাক্ষাৎ এবং ছবির জন্য হ্যাঁ বলেছিলেন। যখন আমির খান বলেছিলেন যে তিনি স্ক্রিপ্ট শুনতে চান, তখন তার বাবা তার কথা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছিলেন।

আমির খান বলেন, আমার বাবা আমাকে ফোন করে বলেছিলেন যে দেব আনন্দ 'আওয়াল নম্বর' ছবির জন্য তোমার সাথে দেখা করতে চান। তিনি বলেছিলেন যে আমি তোমার হয়ে হ্যাঁ বলেছি। আমি তাকে বলেছিলাম – না, আমি প্রথমে স্ক্রিপ্ট শুনব এবং তারপর সিদ্ধান্ত নেব। কিন্তু বাবা কঠোরভাবে বলেছিলেন– তুমি এমন কিছুই করবে না। তুমি গল্প জিজ্ঞাসা করবে না, শুধু যাবে এবং হ্যাঁ বলে দেবে। আমির জানান, তিনি তার বাবাকে খুব ভয় পেতেন, তাই রাজি হয়েছিলেন। আমি গল্প সম্পর্কে কিছুই জানতাম না এবং হ্যাঁ বলে চলে এসেছিলাম।

দ্বিতীয় ছবির ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটেছিল। আমির খান বলেন, দ্বিতীয় সিনেমাটি হলো 'তুম মেরে হো', যেটি আমার বাবা তৈরি করেছিলেন। আমি আমার বাবার কাছে গল্প জিজ্ঞাসা করার চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু তিনি বলেছিলেন, আমরা ৩০ বছর ধরে সিনেমা তৈরি করছি, আর তুমি আমার কাছে গল্প জিজ্ঞাসা করছ? আমাকে ৩ ঘণ্টা ধরে দীর্ঘ বক্তৃতা শুনতে হয়েছিল। এরপর আমি বলেছিলাম– ঠিক আছে, গল্প থাক, আপনি সিনেমা তৈরি করুন।

আমির খান মজা করে বলেছিলেন, আপনারা আমার যে অন্য ছবি দেখেছেন, তার জন্য আপনারা আমাকে দোষ দিতে পারেন। কারণ সেগুলোর স্ক্রিপ্ট পড়েছিলেন।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..