সর্বশেষ :
স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে দেশের প্রতিটি নাগরিককে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ডলফিনের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড চীন, সরানো হলো ১০ লাখের ‍অধিক মানুষ ইরান ইস্যুতে কার্টারের মতোই ফাঁদে পড়েছেন ট্রাম্প! আইসিসির ‘প্লেয়ার অফ দ্য মান্থ’ পুরস্কারের তালিকায় তানজিদ হরমুজ খোলা নিয়ে অনিশ্চয়তা, বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম বাংলা কিউআর কোডে লেনদেন হবে ফ্রি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে রাজনৈতিক মানসিকতার পরিবর্তন জরুরি : রিজভী আইসিসির সেরা ক্রিকেটারদের তালিকায় ম্যাথিউস-হারশিতা ও সিভার রদ্রিকে দলে ভেড়াতে মরিয়া বার্সেলোনা, অনিশ্চিত ডি ইয়ংয়ের ভবিষ্যৎ এশিয়ার তেলের বাজারের ‘ইরান-ধাক্কা’ একাই সামলে দিচ্ছে চীন

জরিপ

সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘অতিরিক্ত আসক্ত’ জাপানের ৭ শতাংশ কিশোর

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৫-০২, | ১৩:৫৫:১৩ |
জাপানের ১০ থেকে ১৯ বছর বয়সি কিশোরদের প্রায় ৭ শতাংশকে ‘প্যাথলজিক্যাল ব্যবহারকারী’, অর্থাৎ তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এতটাই আসক্ত যে, তারা কোনোভাবেই স্ক্রিন টাইম কমাতে পারছে না।  সম্প্রতি জাপানের ন্যাশনাল হসপিটাল অর্গানাইজেশনের কুরিহামা মেডিকেল অ্যান্ড অ্যাডিকশন সেন্টারের এক জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছ। 

শনিবার (২ মে) এমনটাই জানিয়েছে কিয়োদো নিউজ।

দেশজুড়ে পরিচালিত এই জরিপটি করেছে ন্যাশনাল হসপিটাল অর্গানাইজেশনের কুরিহামা মেডিকেল অ্যান্ড অ্যাডিকশন সেন্টার। এতে আরও দেখা গেছে, এই বয়সি গোষ্ঠীতেই আসক্তির হার সবচেয়ে বেশি।

কিছু গবেষণায় ইঙ্গিত পাওয়া যায়, শিশুদের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের সঙ্গে অপরাধ প্রবণতা ও মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার একটি সম্পর্ক থাকতে পারে।

জাপানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ক ও যোগাযোগ মন্ত্রণালয় এবং চিলড্রেন অ্যান্ড ফ্যামিলিজ এজেন্সি যখন এ সমস্যা মোকাবিলার উপায় নিয়ে আলোচনা করছে, ঠিক তখনই এই জরিপের ফলাফল প্রকাশিত হলো।

তরুণদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ক্ষতি থেকে রক্ষার লক্ষ্যে অস্ট্রেলিয়া ও ইন্দোনেশিয়া ইতোমধ্যে ১৬ বছরের কম বয়সিদের জন্য এসব প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।

২০২৫ সালের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে পরিচালিত এই জরিপে দেশের ৪০০টি স্থানের ১০ থেকে ৭৯ বছর বয়সি ৯,০০০ জনকে বেছে নেওয়া হয়, যার মধ্যে ৪,৬৫০ জনের কাছ থেকে সাড়া পাওয়া যায়।

যাদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে সমস্যা থাকার সন্দেহ করা হয়েছে, তাদের মধ্যে ৩০ শতাংশ জানিয়েছে, তারা সপ্তাহের কর্মদিবসে প্রতিদিন ৬ ঘণ্টা বা তার বেশি সময় অনলাইনে থাকে এবং ৬২ শতাংশ সপ্তাহান্তে একইভাবে সময় ব্যয় করে।

কুরিহামা মেডিকেল অ্যান্ড অ্যাডিকশন সেন্টার অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, তারা যেন নিজেরাই ‘ভালো উদাহরণ’ স্থাপন করেন। 

পাশাপাশি, শিশুদের হাতে স্মার্টফোন দেওয়ার আগেই পরিবারের মধ্যে এর ব্যবহার নিয়ে স্পষ্ট নিয়ম নির্ধারণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে—যেমন কখন ও কোথায় ডিভাইস ব্যবহার করা যাবে এবং নিয়ম ভঙ্গ করলে কী ধরনের পরিণতি হবে।

তথ্যসূত্র: আনাদোলু

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..