✕

সর্বশেষ :
পশ্চিম তীরে জলপাই সংগ্রহে বাধা, আটক ফিলিস্তিনি নারীরা খুলনায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কলেজছাত্র নিহত ইন্সপেক্টর পদে পদোন্নতি পেলেন ১৪৯ পুলিশ সদস্য হুতির হামলায় অস্থির সৌদি, একের পর এক ভুলের খেসারত দিচ্ছে রিয়াদ সৌরবিদ্যুতে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা নতুন ঋণচুক্তির বিষয়ে আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নিচ্ছে বাংলাদেশ চার বছরে তাপপ্রবাহে ইউরোপে ২ লাখের বেশি মৃত্যু, সতর্ক করল ডব্লিউএইচও বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হওয়ার পথে ইলন মাস্ক যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতে কোভিড আমলের ঝুঁকিতে বৈশ্বিক অর্থনীতি : বিশ্বব্যাংক সমুদ্রের তলদেশে বিশ্বের প্রথম বায়ুবিদ্যুৎচালিত ডেটাসেন্টার চালু করল চীন

জেদ্দা রেড সি মিউজিয়ামে দুর্লভ প্রবাল পাথরের তাসবিহ

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৪-২৯, | ১৪:৪০:০১ |
সৌদি আরবের জেদ্দার ঐতিহাসিক আল-বালাদ এলাকায় অবস্থিত রেড সি মিউজিয়ামে প্রদর্শন করা হচ্ছে অত্যন্ত দুর্লভ প্রবাল পাথরের তৈরি তসবিহ বা প্রেয়ার বিডস। লোহিত সাগরের ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্পের নিদর্শন হিসেবে এই তসবিহগুলো পর্যটকদের নজর কাড়ছে।

সৌদি প্রেস এজেন্সির (এসপিএ) বরাতে জানা গেছে, প্রদর্শিত এই তসবিহগুলো ইউসর নামক এক বিশেষ ধরনের কালো প্রবাল দিয়ে তৈরি। লোহিত সাগরের তলদেশে পাওয়া এই প্রবাল তার মসৃণ ও চকচকে আভার জন্য দীর্ঘদিন ধরে বিখ্যাত। লোহিত সাগর অঞ্চলের স্থানীয় কারুশিল্পীদের হাতে তৈরি এই তসবিহগুলো ওই অঞ্চলের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ।

এসব তাসবিহর বিশেষত্ব হলো, এগুলোর কারুকাজে রূপা এবং আম্বার ব্যবহার করা হয়েছে। কারুশিল্পীদের নিপুণ ছোঁয়ায় প্রতিটি পুঁতি হয়ে উঠেছে অনন্য, যা তৎকালীন উচ্চমানের কারুশৈলীর স্বাক্ষর বহন করে।

ঐতিহাসিকভাবে, পবিত্র হজ ও ওমরাহ পালনে আসা দর্শকদের কাছে এই তাসবিহগুলো অত্যন্ত জনপ্রিয়। মক্কা-মদিনা থেকে ফিরে যাওয়ার সময় পরিবার ও বন্ধুবান্ধবদের জন্য উপহার হিসেবে তারা এগুলো সঙ্গে করে নিয়ে যান।

রেড সি মিউজিয়াম মূলত সৌদি আরবের সমৃদ্ধ সামুদ্রিক ঐতিহ্য তুলে ধরার জন্য প্রতিষ্ঠিত। এটি বর্তমানে জেদ্দার অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং জ্ঞান বিতরণেও মিউজিয়ামটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

সৌদি ভিশন ২০৩০-এর অধীনে জেদ্দার এই ঐতিহাসিক আল-বালাদ এলাকাকে নতুনভাবে সাজানো হয়েছে। প্রাচীন ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং সাংস্কৃতিক অঙ্গনকে আরও সমৃদ্ধ করার লক্ষ্যেই সৌদি সরকার এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। প্রদর্শনীটি লোহিত সাগরের গভীর থেকে উঠে আসা প্রাচীন ঐতিহ্যের সাথে বর্তমান প্রজন্মের এক সেতুবন্ধন তৈরি করেছে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..