✕

সর্বশেষ :
জার্মানিতে বিপজ্জনক ছায়াযুদ্ধের শঙ্কা রাহুল গান্ধীর আবেদনে ১৪ ত্রুটি ধরল ভারতের সুপ্রিম কোর্ট বাংলাদেশ-ইউএই যৌথ উদ্যোগে কক্সবাজারে সুপেয় পানি প্রকল্পের প্রস্তাব দিলেন এলজিআরডি মন্ত্রী মেহেরপুরে বাসের ধাক্কায় ভ্যানচালক নিহত পাকিস্তান সিরিজে শ্রীলঙ্কার টেস্ট দল ঘোষণা, অধিনায়ক কুশল মেন্ডিস আরব আমিরাতে শ্রমবাজার ও নতুন সুযোগের সম্ভাবনা নিয়ে মাহ্দী আমিন-রাষ্ট্রদূতের বৈঠক কুমিল্লায় সকালে হাঁটতে বেরিয়ে গাড়িচাপায় স্বামী ও স্ত্রী নিহত কাদের মির্জা ও তার স্ত্রী-ছেলের বিরুদ্ধে দুদকের ৩ মামলা অবিবাহিতদের সবচেয়ে বেশি রাগিয়ে দেয় যেসব কথা দুর্গাপূজায় নৌপথে নিরাপত্তায় ১৬ নির্দেশনা

৩০ এপ্রিলের পর সারা দেশে মাদকবিরোধী সাঁড়াশি অভিযান : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৪-২৭, | ১৯:৫৭:৫৫ |
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, “৩০ এপ্রিল জাতীয় সংসদের চলমান অধিবেশন শেষ হওয়ার পরপর সারা দেশে মাদক, জুয়া ও অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে সমন্বিত সাঁড়াশি অভিযানে নামবে সরকার। দেশের যুবসমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে এ অভিযানে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করা হবে।”

সোমবার (২৭ এপ্রিল) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে জরুরি জনগুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণ নোটিশের জবাবে এ তথ্য দেন তিনি।

এর আগে সরকারদলীয় সংসদ সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুক রাজধানীর অভিজাত এলাকায় আবাসিক ভবন ও রেস্টুরেন্টের আড়ালে অবৈধ ‘সিসা লাউঞ্জ’ পরিচালনার বিষয়টি উত্থাপন করে এর বিরুদ্ধে সরকারের পরিকল্পনা জানতে চান।

জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘জাতির কাছে আমাদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দেশে মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। আগামী ৩০ এপ্রিল সংসদ অধিবেশন শেষ হওয়ার পর সারা দেশে সুসমন্বিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। যুবসমাজকে বাঁচাতে এর কোনো বিকল্প নেই।’

তিনি বলেন, ‘২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তি ও প্রশাসনের কতিপয় কর্মকর্তার ছত্রচ্ছায়ায় গুলশান, বনানী, ধানমণ্ডি ও উত্তরার মতো এলাকায় অবৈধ সিসা বার ও মাদক স্পট গড়ে উঠেছিল।

বর্তমানে এসব স্থানে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও পুলিশ নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছে। ১৬ ও ২০ এপ্রিল রাজধানীর গুলশানসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ সিসা ও সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে।’
অভিজাত এলাকায় ঠিকানা পরিবর্তন করে বা প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে যাতে কেউ অবৈধ ব্যবসা করতে না পারে, সে জন্য গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘যদি কোনো পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে এসব অবৈধ ব্যবসায় মদদ দেওয়ার প্রমাণ পাওয়া যায়, তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

তিনি জানান, ইতোমধ্যে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে অপরাধীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মাধ্যমেও ট্রেড লাইসেন্সবিহীন অবৈধ প্রতিষ্ঠান চিহ্নিত করে বন্ধের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..