সর্বশেষ :
স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে দেশের প্রতিটি নাগরিককে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ডলফিনের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড চীন, সরানো হলো ১০ লাখের ‍অধিক মানুষ ইরান ইস্যুতে কার্টারের মতোই ফাঁদে পড়েছেন ট্রাম্প! আইসিসির ‘প্লেয়ার অফ দ্য মান্থ’ পুরস্কারের তালিকায় তানজিদ হরমুজ খোলা নিয়ে অনিশ্চয়তা, বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম বাংলা কিউআর কোডে লেনদেন হবে ফ্রি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে রাজনৈতিক মানসিকতার পরিবর্তন জরুরি : রিজভী আইসিসির সেরা ক্রিকেটারদের তালিকায় ম্যাথিউস-হারশিতা ও সিভার রদ্রিকে দলে ভেড়াতে মরিয়া বার্সেলোনা, অনিশ্চিত ডি ইয়ংয়ের ভবিষ্যৎ এশিয়ার তেলের বাজারের ‘ইরান-ধাক্কা’ একাই সামলে দিচ্ছে চীন

গাড়ির ইঞ্জিন অয়েল কতদিন পর পরিবর্তন করা উচিত?

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৪-১৬, | ২১:০৯:৪২ |
আপনি কি এখনো আন্দাজে ইঞ্জিন অয়েল পরিবর্তন করেন? ভুল হলে ক্ষতি কিন্তু লাখ টাকার! ইঞ্জিন অয়েলকে বলা হয় গাড়ির ইঞ্জিনের “লাইফলাইন”। কারণ এটি ইঞ্জিনের প্রতিটি মুভিং পার্টকে লুব্রিকেট করে, অতিরিক্ত তাপ কমায় এবং ভেতরের ময়লা পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে।

 একটি সুস্থ ও স্মুথ ইঞ্জিন পারফরম্যান্স বজায় রাখতে সাধারণভাবে প্রতি ৩০০০–৩৫০০ কিলোমিটার বা ৩–৪ মাস পর (যেটি আগে আসে) ইঞ্জিন অয়েল পরিবর্তন করা উচিত।

বাস্তবতা হলো—
লো গ্রেড ফুয়েল, দেশের ট্রাফিকের অবস্থা, ঘন ঘন স্টপ-স্টার্ট ড্রাইভিং, ধুলাবালি, এসব কারণে অয়েল অনেক দ্রুত তার কার্যক্ষমতা হারায়।
 
সময়মতো অয়েল পরিবর্তন না করলে যা হতে পারে:
* ইঞ্জিনের ভেতরে ঘর্ষণ বেড়ে যায়
* অতিরিক্ত তাপ তৈরি হয়
* স্মুথ সাউন্ড নষ্ট হয়ে রাফ সাউন্ড শুরু হয়
* ধীরে ধীরে ইঞ্জিনের আয়ু কমে যায়

 অন্যদিকে নিয়মিত অয়েল পরিবর্তন করলে:
* ইঞ্জিন থাকে পরিষ্কার
* পারফরম্যান্স থাকে স্মুথ
* ফুয়েল এফিশিয়েন্সি বাড়ে
* ইঞ্জিন লাইফ দীর্ঘ হয়

প্রতি মাসে অন্তত একবার অয়েলের কালার ও লেভেল চেক করার অভ্যাস করুন, এটাই আপনাকে বড় খরচ থেকে বাঁচাতে পারে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..