সর্বশেষ :
স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে দেশের প্রতিটি নাগরিককে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ডলফিনের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড চীন, সরানো হলো ১০ লাখের ‍অধিক মানুষ ইরান ইস্যুতে কার্টারের মতোই ফাঁদে পড়েছেন ট্রাম্প! আইসিসির ‘প্লেয়ার অফ দ্য মান্থ’ পুরস্কারের তালিকায় তানজিদ হরমুজ খোলা নিয়ে অনিশ্চয়তা, বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম বাংলা কিউআর কোডে লেনদেন হবে ফ্রি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে রাজনৈতিক মানসিকতার পরিবর্তন জরুরি : রিজভী আইসিসির সেরা ক্রিকেটারদের তালিকায় ম্যাথিউস-হারশিতা ও সিভার রদ্রিকে দলে ভেড়াতে মরিয়া বার্সেলোনা, অনিশ্চিত ডি ইয়ংয়ের ভবিষ্যৎ এশিয়ার তেলের বাজারের ‘ইরান-ধাক্কা’ একাই সামলে দিচ্ছে চীন

আমদানি ব্যয় মেটাতে দুই বছরের রিজার্ভ রয়েছে সৌদি আরবের

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৪-১১, | ১৯:৫৬:২৬ |
বৈশ্বিক অর্থনৈতিক দিক থেকে বেশ শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে সৌদি আরব।

দেশটির বর্তমান বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দিয়ে প্রায় দুই বছরের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব। সরকারি সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, সৌদি আরবের এ সক্ষমতা বৈশ্বিক গড় হারের তুলনায় অনেক বেশি। এর ফলে জি২০ দেশগুলোর মধ্যে আমদানি সক্ষমতার দিক থেকে শীর্ষস্থানে রয়েছে কিংডম অব সৌদি আরব। খবর আরব নিউজ।

আল-ইকতিসাদিয়াহর ফাইন্যান্সিয়াল অ্যানালাইসিস ইউনিটের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সৌদি আরবের বর্তমান যে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ রয়েছে, তা দিয়ে আগামী ২২ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব। যেখানে বর্তমানে বৈশ্বিক গড় আমদানি সক্ষমতা মাত্র ছয় মাস, সেখানে সৌদি আরবের অবস্থান প্রায় তিন গুণ বেশি। আরব বিশ্ব ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে এটিই এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় বৈদেশিক মুদ্রার মজুদ। এ বিশাল রিজার্ভের কারণে সৌদি সরকার তাদের মুদ্রার বিনিময় হার এবং দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে স্থিতিশীল রাখার বড় শক্তি পাচ্ছে।

সৌদি আরবের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ‘সামা’ এ রিজার্ভের ব্যবস্থাপনা করে থাকে। এ মজুদের মধ্যে রয়েছে স্বর্ণ, বিশেষ ড্রয়িং রাইটস ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলে (আইএমএফ) থাকা রিজার্ভ। এছাড়া এর বড় একটি অংশ বিদেশী মুদ্রা, বিদেশের ব্যাংকে রাখা আমানত এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক শেয়ার বা সিকিউরিটিজে বিনিয়োগ করা হয়েছে। তথ্য বলছে, ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত দেশটির এ রিজার্ভ আগের বছরের তুলনায় ১০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে প্রায় ১ দশমিক ৭৮ ট্রিলিয়ন রিয়াল বা ৪৭ হাজার ৪৩২ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে।

অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ বিশাল রিজার্ভ শুধু পণ্য আমদানির জন্যই নয়, বরং দেশের বাজেট ঘাটতি মেটাতে এবং আন্তর্জাতিক ঋণ পরিশোধেও বড় ভূমিকা রাখছে।

এছাড়া বৈশ্বিক বাজারে পণ্যের দাম বেড়ে গেলে বা কোনো জরুরি পরিস্থিতিতে পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে এ তহবিল সুরক্ষা কবচ হিসেবে কাজ করে।

এ সক্ষমতার কারণে সৌদি আরবের অর্থনীতি যেকোনো অভ্যন্তরীণ বা বৈশ্বিক ধাক্কা সামলে নিতে অনেক বেশি শক্তিশালী।

বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী অর্থনীতির জোট জি২০ দেশগুলোর মধ্যে সৌদি আরব এক্ষেত্রে প্রথম স্থানে রয়েছে। এর পরই অবস্থান করছে রাশিয়া ও জাপান। চীনের রিজার্ভ দিয়ে ১৪ মাস এবং ভারতের রিজার্ভ দিয়ে মাত্র ছয়-সাত মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের অনেক দেশ তাদের নিজস্ব মুদ্রা শক্তিশালী হওয়ায় বিপুল পরিমাণ বিদেশী মুদ্রার রিজার্ভ রাখার প্রয়োজন বোধ করে না। সৌদি সরকার বর্তমানে তাদের রিজার্ভ কমানোর পরিবর্তে বিকল্প উপায়ে তহবিল সংগ্রহ করছে, যাতে ভবিষ্যতে বিনিয়োগকারীদের কাছে দেশটি আরো আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..