✕

সর্বশেষ :
পশ্চিম তীরে জলপাই সংগ্রহে বাধা, আটক ফিলিস্তিনি নারীরা খুলনায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কলেজছাত্র নিহত ইন্সপেক্টর পদে পদোন্নতি পেলেন ১৪৯ পুলিশ সদস্য হুতির হামলায় অস্থির সৌদি, একের পর এক ভুলের খেসারত দিচ্ছে রিয়াদ সৌরবিদ্যুতে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা নতুন ঋণচুক্তির বিষয়ে আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নিচ্ছে বাংলাদেশ চার বছরে তাপপ্রবাহে ইউরোপে ২ লাখের বেশি মৃত্যু, সতর্ক করল ডব্লিউএইচও বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হওয়ার পথে ইলন মাস্ক যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতে কোভিড আমলের ঝুঁকিতে বৈশ্বিক অর্থনীতি : বিশ্বব্যাংক সমুদ্রের তলদেশে বিশ্বের প্রথম বায়ুবিদ্যুৎচালিত ডেটাসেন্টার চালু করল চীন

সব পড়লেন কিন্তু মূল আইনটাই পড়লেন না: হাসনাতকে আইনমন্ত্রী

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৪-০৯, | ১৩:২৪:৪১ |
জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন নিয়ে কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর দেওয়া বক্তব্যকে ‘রসালো’ (জুসি) ও ‘রাজনৈতিক ময়দানের উপযোগী’ বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, ‘মাননীয় সংসদ সদস্য প্রস্তাবিত বিলের সবকিছুই পড়েছেন, কিন্তু প্রথম লাইনটিই সম্ভবত এড়িয়ে গেছেন।’

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (রহিতকরণ ও পুনঃপ্রচলন) বিল-২০২৬’ উত্থাপনকালে হাসনাত আবদুল্লাহর আপত্তির জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

এর আগে বিলের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে হাসনাত আবদুল্লাহ ২০০৯ সালের আইনটিকে ‘বিরোধী দল দমন কমিশন’ হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি দাবি করেন, ২০২৫ সালের অধ্যাদেশ বাতিল করার এই সিদ্ধান্ত জাতি পিছিয়ে যাওয়ার একটি টেক্সটবুক এক্সাম্পল (আদর্শ উদাহরণ) হয়ে থাকবে।

জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, “মাননীয় সংসদ সদস্য খুব সুন্দর বক্তৃতা দিয়েছেন। উনার বক্তব্যগুলো পল্টন ময়দান, প্রেস ক্লাব বা রাজপথের জন্য অনেক বেশি প্রাসঙ্গিক ও ‘জুসি’। উনি সব পড়েছেন, শুধু বিলের মূল কথাটিই পড়েননি। বিলের প্রথম লাইনেই স্পষ্ট করা আছে যে, সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে অধিকতর পরামর্শ ও যাচাই-বাছাই প্রয়োজন। মানবাধিকার কমিশনের কার্যক্রমে যাতে কোনো শূন্যতা তৈরি না হয়, সেই কারণেই আপাতত ২০০৯ সালের আইনটি পুনঃপ্রচলন (রিস্টোর) করা হয়েছে।”

আইনমন্ত্রী পূর্ববর্তী অধ্যাদেশের ত্রুটিগুলো তুলে ধরে বলেন, ‘২০২৫ সালের অধ্যাদেশটি এমনভাবে করা হয়েছিল যাতে বিএনপি ক্ষমতায় এলেও ঠিকমতো কাজ করতে না পারে। এর ১৬ নম্বর ধারায় তদন্ত ও জরিমানার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো দিকনির্দেশনা নেই। মানবাধিকার কমিশন যখন নিজেই বাদী হয়ে মামলা করে, তখন সেটি আর নিরপেক্ষ আইন থাকে না। এমনকি গুম কমিশন নিয়েও এই আইনে অস্পষ্টতা রয়েছে।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমরা মানবাধিকার লঙ্ঘনকারীদের বিচার চাই, তবে সেই আইনটি অবশ্যই স্বচ্ছ হতে হবে। কুড়িল বস্তির সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কথা বলে আমরা আইনটি সংশোধন করব। সেই পর্যন্ত কমিশনকে সচল রাখতেই ২০০৯ সালের আইনটি বহাল রাখা হয়েছে।’

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..