সর্বশেষ :
স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে দেশের প্রতিটি নাগরিককে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ডলফিনের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড চীন, সরানো হলো ১০ লাখের ‍অধিক মানুষ ইরান ইস্যুতে কার্টারের মতোই ফাঁদে পড়েছেন ট্রাম্প! আইসিসির ‘প্লেয়ার অফ দ্য মান্থ’ পুরস্কারের তালিকায় তানজিদ হরমুজ খোলা নিয়ে অনিশ্চয়তা, বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম বাংলা কিউআর কোডে লেনদেন হবে ফ্রি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে রাজনৈতিক মানসিকতার পরিবর্তন জরুরি : রিজভী আইসিসির সেরা ক্রিকেটারদের তালিকায় ম্যাথিউস-হারশিতা ও সিভার রদ্রিকে দলে ভেড়াতে মরিয়া বার্সেলোনা, অনিশ্চিত ডি ইয়ংয়ের ভবিষ্যৎ এশিয়ার তেলের বাজারের ‘ইরান-ধাক্কা’ একাই সামলে দিচ্ছে চীন

কিয়ামুল লাইল ও নফল নামাজ জামাতে আদায় করা যাবে?

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৩-৩১, | ১৭:২৯:২৭ |
ইসলামে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ফজিলতপূর্ণ একটি ইবাদত কিয়ামুল লাইল। নফল ইবাদতের ক্ষেত্রে মৌলিক বিধান হল এগুলো একাকী আদায় করা। নবীজি (সা.), সাহাবায়ে কেরাম ও তাবেয়ীনদের যুগে নিয়মিতভাবে নফল নামায জামাতের সঙ্গে আদায় করার কোন প্রচলন ছিল না। যদিও নবীজি (সা.) তার পুরো জীবনে অল্প কয়েকবার নফল নামাজ জামাতের সাথে আদায় করেছেন। তবে সেগুলো সম্পূর্ণ ব্যতিক্রমধর্মী ঘটনা ছিল। 

রাসুল (সা.) কখনো পূর্ব ঘোষণা বা বিশেষ আয়োজন করে লোকসমাগম ঘটিয়ে নফল নামাজ জামাতে আদায় করেননি। বরং তিনি নিজ ঘরে বা কোন সাহাবীর ঘরে নফল নামাজে দাঁড়িয়ে যেতেন, তখন সেখানে উপস্থিত দুয়েকজন সাহাবী নিজে থেকেই নবীজীর ইক্তিদা করতেন। এ সকল বর্ণনা থেকে নফল নামাজের জামাতের প্রতি উৎসাহ প্রদান করা ও নফল নামাজের জামাতকে বেশি সওয়াবের কাজ মনে করার অবকাশ কোন ভাবেই প্রমাণিত হয় না।  তাই এ ব্যাপারে ফুকাহায়ে কেরামের মৌলিক কিছু নীতিমালা নির্ধারিত হয়েছে—

১. যদি কখনো পূর্ব ঘোষণা বা পূর্ব পরিকল্পনা ছাড়া কেউ নফল নামাজ আদায়ের সময়ে দুয়েকজন মুক্তাদী নিজ থেকে তার ইক্তিদা করে নেয় তাহলে এর অবকাশ আছে।

২. নিয়মিত নফল নামাজ জামাতে আদায় করা মাকরূহ।

৩. ডাকাডাকি ছাড়াও যদি মুক্তাদীর সংখ্যা তিনজন হয়ে যায়, তাহলে এমন পরিস্থিতি নিয়ে ফকীহদের মতভেদ রয়েছে; অনেক ফকীহ এটাকেও মাকরুহ বলে উল্লেখ করেছেন।

৪. মুক্তাদীর সংখ্যা চার বা তার চেয়ে বেশি হলে তা সর্বসম্মতিক্রমে মাকরূহ।

৫. পূর্ব ঘোষণা বা পূর্ব পরিকল্পনা করে নফলের জামাত করা সর্বাবস্থায় মাকরূহ।


এই আলোচনার সারমর্ম হলো— নফল নামাজের জামাত করা কোন মুস্তাহাব আমল নয়, বরং শর্ত সাপেক্ষে তা কেবল জায়েজ হতে পারে। তাই এ ব্যাপারে মানুষকে উৎসাহিত করা বা এর প্রতি উদ্বুদ্ধ করা জায়েজ নয়। 

যদি কেউ রমজান মাসে জামাতের নামাজে কোরআন শরীফ খতম করতে চায় তাহলে তারাবির জামাতে খতম করার সুযোগ রয়েছে। তারাবির জামাত যে কোন স্থানে করা যেতে পারে। মসজিদেই হতে হবে, মহল্লার সবাই মিলে একটি জামাতে শরীক হবে এমন কোন শর্ত নাই। সুতরাং খতমে কোরআনের প্রয়োজন তারাবির মাধ্যমে পূর্ণ করা সম্ভব। এর জন্য তাহাজ্জুদের জামাত করার প্রয়োজন নাই। (ই‘লাউস সুনান ৭/৯৭-৯৯, আদ্দুররুল মুখতার ২/৪৯, ফাতাওয়ায়ে রাহীমিয়া ৪/১৩৬ )

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..