✕

সর্বশেষ :
পশ্চিম তীরে জলপাই সংগ্রহে বাধা, আটক ফিলিস্তিনি নারীরা খুলনায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কলেজছাত্র নিহত ইন্সপেক্টর পদে পদোন্নতি পেলেন ১৪৯ পুলিশ সদস্য হুতির হামলায় অস্থির সৌদি, একের পর এক ভুলের খেসারত দিচ্ছে রিয়াদ সৌরবিদ্যুতে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা নতুন ঋণচুক্তির বিষয়ে আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নিচ্ছে বাংলাদেশ চার বছরে তাপপ্রবাহে ইউরোপে ২ লাখের বেশি মৃত্যু, সতর্ক করল ডব্লিউএইচও বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হওয়ার পথে ইলন মাস্ক যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতে কোভিড আমলের ঝুঁকিতে বৈশ্বিক অর্থনীতি : বিশ্বব্যাংক সমুদ্রের তলদেশে বিশ্বের প্রথম বায়ুবিদ্যুৎচালিত ডেটাসেন্টার চালু করল চীন

পাহাড়ের কোলে মেইজি আমলের ঐতিহাসিক বাগান

ভ্রমণপিপাসুদের পছন্দের গন্তব্য জাপানের হাকোনের ‘ইয়োশিকে রিওকান’

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৩-৩০, | ১৫:৫০:৫১ |
জাপানের পর্যটন মানচিত্রে হাকোনে বরাবরই স্থানীয় ও বিদেশী পর্যটকদের কাছে অন্যতম পছন্দের গন্তব্য।

বছরে ২ কোটি পর্যন্ত পর্যটকের আনাগোনায় মুখর থাকে হাকোনে। এটি বর্তমানে জাপানের অন্যতম জনপ্রিয় ও ব্যস্ত রিসোর্টগুলোর একটি। পাহাড়ি অঞ্চলটির ঠিক কেন্দ্রস্থলে ১৯৪০ সালে নির্মিত ঐতিহাসিক ‘ইয়োশিকে রিওকান’ বর্তমানে এর আভিজাত্য এবং শৈল্পিক আবহের জন্য পর্যটন খাতে বিশেষ আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। হাকোনে-ইউমোতো স্টেশন থেকে মাত্র ১০ মিনিটের হাঁটা দূরত্বে অবস্থিত রিসোর্টটি জাপানিজ হেরিটেজ পর্যটনের এক অনন্য নিদর্শন। ৩৩ হাজার বর্গমিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃত স্থাপনাটিতে রয়েছে আধুনিক ও ঐতিহ্যের মেলবন্ধন। এখানে রয়েছে ছয়টি ইনডোর ও আউটডোর প্রাকৃতিক হট স্প্রিং বাথ, একটি কৃত্রিম গুহা ও বিলাসবহুল ডাইনিং ভেন্যু। তবে পুরো প্রকল্পের প্রধান আকর্ষণ হলো ‘ইয়োশিকে সানগেৎসু উদ্যান’, যা মূলত মেইজি আমলের স্থাপত্যশৈলী দ্বারা অনুপ্রাণিত।


মেইজি যুগের আভিজাত্য ও স্থাপত্য

উদ্যানটির প্রতিটি পরতে রয়েছে ইতিহাসের ছোঁয়া। এখানে রয়েছে মেইজি আমলের বিশেষ টি-হাউজ এবং মিতসুবিশি কনগ্লোমারেটের প্রতিষ্ঠাতা ইয়ানোসুকে ইওয়াসাকির একটি ঐতিহাসিক ভিলা। হোটেলের লবি থেকে সরাসরি দেখা যায় পাথুরে নকশা আর সুনিপুণভাবে ছাঁটা ঝোপঝাড়ে ঘেরা একটি ছোট পুকুর, যা পর্যটকদের শুরুতেই এক শান্ত পরিবেশের স্বাদ দেয়।

প্রকৃতির সঙ্গে মিতালি

উদ্যানটির ভেতরে পাথুরে পথ ধরে এগোলে দেখা মেলে পাইন, উইপিং চেরি, ম্যাপেল এবং চিরহরিৎ বৃক্ষের সমারোহ। ১০ হাজার বর্গমিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃত এ ‘মরূদ্যানের’ কেন্দ্রে রয়েছে একটি বিশাল পুকুর, কৃত্রিম পাহাড়, ছোট ছোট দ্বীপ এবং ১৩ তলার একটি প্যাগোডা। পুকুরের স্বচ্ছ জলধারা আসে পাশের সুকোমাগাওয়া নদী থেকে, যেখানে ঘুরে বেড়ায় হাজারখানেক কার্প ও রেইনবো ট্রাউট মাছ।

পর্যটকদের জন্য বিশেষ অভিজ্ঞতা

পর্যটন সেবাকে আরো আকর্ষণীয় করতে এখানে রয়েছে পুকুরের মাঝখানে দাঁড়িয়ে ৩৬০-ডিগ্রি ‘ভিউ’ নেয়ার জন্য বিশেষ স্টোন স্ল্যাব। এছাড়া দর্শনার্থীদের বিশ্রামের জন্য জলাধারের পাশে রয়েছে কাঠের তৈরি খোলা কুঁড়েঘর এবং আধুনিক আরামদায়ক লাউঞ্জ চেয়ারসংবলিত টেরাস। এখান থেকে তোনোমিন পর্বতশ্রেণীর দৃশ্য পর্যটকদের এক রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা দেয়। সন্ধ্যার আকাশে যখন পর্বতের ওপর থেকে চাঁদ উঁকি দেয়, তখন এক অপার্থিব দৃশ্যের অবতারণা হয় এখানে। এ মনোমুগ্ধকর দৃশ্যের কারণেই উদ্যানটিকে ‘মুন মাউন্টেন গার্ডেন’ নামে ডাকা হয়। —খবর জাপান টাইমস ও ছবি সংগৃহীত

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..