গাইবান্ধায় গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যা, স্বামী গ্রেপ্তার

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৩-২৯, | ১৭:৩০:৫২ |
গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে ভাড়া বাসা থেকে ববিতা খাতুন (৩০) নামে এক নারীর গলা কাটা লাশ উদ্ধারের ঘটনায় ওই নারীর স্বামী হারুন মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। 

রোববার (২৯ মার্চ) ভোরে তাকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পলাশবাড়ী থানা পুলিশ।

রোববার (২৯ মার্চ) দুপুরে পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সারোয়ারে আলম খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে শনিবার (২৮ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে পলাশবাড়ী উপজেলার ঢোলভাঙ্গা এলাকার আমলাগাছি এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে ববিতা বেগমের গলা কাটা লাশ উদ্ধার করা হয়। এসময় ঘটনাস্থল থেকে কেটে ফেলা একটি পুরুষাঙ্গ পায় পুলিশ।

পুলিশ জানায়, পুরুষাঙ্গটি ববিতার স্বামী হারুন মিয়ার। একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্রের মাধ্যমে তারা জানতে পেড়েছে , স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়ার এক পর্যায়ে ববিতা তার স্বামীর পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলেন। পরে হারুন তার স্ত্রীকে হত্যা করে আহতাবস্থায় পালিয়ে যান।

পর ভোরে রংপুর মেডিকেল কলেজ থেকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হারুনকে গ্রেপ্তার করেন তারা।

পলাশবাড়ী থানার  ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সারোয়ারে আলম খান বলেন, গলা কেটে হত্যার ঘটনায় ববিতার পলাতক স্বামী হারুনকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন ছিলেন। হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হওয়া রুমে পাওয়া পুরুষাঙ্গটি হারুন মিয়ার।

ওসি আরও জানান, হারুন শঙ্কামুক্ত হলেও রক্তস্বল্পতা জনিত কারণে তার শরীরে রক্ত দেওয়া হচ্ছে। তিনি কোনো কথাই বলছেন না। সুস্থ হলে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।

এদিকে ববিতাকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় গতকাল রাতেই নিহতের মা হাসনা বেগম বাদী হয়ে হারুনকে প্রধান আসামি করে নামীয় তিনজনসহ অজ্ঞাতনামা তিন-চারজনের বিরুদ্ধে পলাশবাড়ী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলেও জানান ওসি।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..