✕

সর্বশেষ :
পশ্চিম তীরে জলপাই সংগ্রহে বাধা, আটক ফিলিস্তিনি নারীরা খুলনায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কলেজছাত্র নিহত ইন্সপেক্টর পদে পদোন্নতি পেলেন ১৪৯ পুলিশ সদস্য হুতির হামলায় অস্থির সৌদি, একের পর এক ভুলের খেসারত দিচ্ছে রিয়াদ সৌরবিদ্যুতে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা নতুন ঋণচুক্তির বিষয়ে আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নিচ্ছে বাংলাদেশ চার বছরে তাপপ্রবাহে ইউরোপে ২ লাখের বেশি মৃত্যু, সতর্ক করল ডব্লিউএইচও বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হওয়ার পথে ইলন মাস্ক যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতে কোভিড আমলের ঝুঁকিতে বৈশ্বিক অর্থনীতি : বিশ্বব্যাংক সমুদ্রের তলদেশে বিশ্বের প্রথম বায়ুবিদ্যুৎচালিত ডেটাসেন্টার চালু করল চীন

অটোয় চড়ে স্কুলে যেতাম, নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারে বড় হয়েছি: বরুণ ধাওয়ান

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৩-২৯, | ১৬:২৯:৪৭ |
বলিউড তারকাদের বিলাসবহুল জীবনযাপনের কথা সবারই জানা। তার কিছু ঝলক মাঝেমধ্যে সামাজিক মাধ্যমেও পাওয়া যায়। বর্ষীয়ান পরিচালক ডেভিড ধাওয়ানের ছেলে অভিনেতা বরুণ ধাওয়ান সম্প্রতি এক সাক্ষাতকারে অকপটে ছোটবেলার গল্প বলেছেন। সেখানেই জানান, বাবার সিনেমা ভালো ব্যবসা করতে না পারায় কীভাবে দিন কাটাতেন তারা।

সম্প্রতি এক সাক্ষাতকারে অভিনেতা বরুণ ধাওয়ান বলেন, বেশ দারিদ্র্যের মধ্যেই ছোটবেলা কেটেছে তার। তিনি নাকি নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারে বড় হয়েছেন। জনপ্রিয় পরিচালকের ছেলে হয়েও নাকি অটোয় চড়ে স্কুলে যেতেন এ অভিনেতা।

অভিনেতা বলেন, ছোটবেলায় ঐশ্বর্যের তুলনায় অনেক বেশি ভালোবাসা পেয়েছি। কারণ আমাদের পরিবার এখনকার মতো অতটা সচ্ছল ছিল না। আমরা একেবারে নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবার ছিলাম। কারণ বাবার ক্যারিয়ার সেভাবে সফল হয়নি। 

একটা সময় যখন ডেভিডের একের পর এক সিনেমা মুখ থুবড়ে পড়তে থাকে বক্স অফিসে, তখন খরচ কমানোর জন্য অটোয় চড়ে স্কুলে যেতেন বরুণ ধাওয়ান। তিনি বলেন, আমাকে মেঝেয় শুতে দিন বা বিছানায়, কিছু যায় আসত না। বাবা তো বাড়িতে থাকতেনই না। রাত-দিন কাজ করতেন।

বরুণ ধাওয়ান বলেন, একসঙ্গে দুটি সিনেমার কাজও করতেন। ‘মা বলতেন— এই যে খাবারটা খাচ্ছ, সেটি বাবা পরিশ্রম করে আনছেন বলে পাচ্ছ।’ এসব কথা প্রায়ই শুনতাম। যদি বাবার কোনো সিনেমা চলত না, তাহলে বলা হতো—বাবার এই সিনেমাটা ভালো ব্যবসা করেনি। এরপর কীভাবে চলবে জানি না। তাই খরচ কমাতে হবে।

১৯৮৪ সালে মহেশ ভাটের ‘সারাংশ’ সিনেমার সম্পাদক হিসাবে কর্মজীবন শুরু করেন ডেভিড ধাওয়ান। ১৯৮৯ সালে সঞ্জয় দত্ত ও গোবিন্দকে নিয়ে ‘তাকতওয়ার’ সিনেমার মাধ্যমে পরিচালনা শুরু করেন তিনি। ধীরে ধীরে কমেডি ঘরানার সিনেমায় হাত পাকান ডেভিড। ১৯৯৩ সালে ‘আঁখে’ সিনেমার মাধ্যমে প্রচারের আলোয় আসেন তিনি। এরপর গোবিন্দকে নিয়ে একাধিক হিট সিনেমা তৈরি করেন ডেভিড। তার ‘বিবি নাম্বার ১’, ‘শোলা অউর শবনম’, ‘কুলি নাম্বার ১’, ‘রাজা বাবু’, ‘হিরো নাম্বার ১’, ‘পার্টনার’ সিনেমার মতো ছবি এখনো দর্শক পছন্দ করেন। নিজের ক্যারিয়ারে প্রায় ৪৫টি সিনেমা পরিচালনা করেছেন ডেভিড ধাওয়ান।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..