✕

সর্বশেষ :
পশ্চিম তীরে জলপাই সংগ্রহে বাধা, আটক ফিলিস্তিনি নারীরা খুলনায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কলেজছাত্র নিহত ইন্সপেক্টর পদে পদোন্নতি পেলেন ১৪৯ পুলিশ সদস্য হুতির হামলায় অস্থির সৌদি, একের পর এক ভুলের খেসারত দিচ্ছে রিয়াদ সৌরবিদ্যুতে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা নতুন ঋণচুক্তির বিষয়ে আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নিচ্ছে বাংলাদেশ চার বছরে তাপপ্রবাহে ইউরোপে ২ লাখের বেশি মৃত্যু, সতর্ক করল ডব্লিউএইচও বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হওয়ার পথে ইলন মাস্ক যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতে কোভিড আমলের ঝুঁকিতে বৈশ্বিক অর্থনীতি : বিশ্বব্যাংক সমুদ্রের তলদেশে বিশ্বের প্রথম বায়ুবিদ্যুৎচালিত ডেটাসেন্টার চালু করল চীন

মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন প্রখ্যাত শিল্পী বশির আহমেদ

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৩-০৫, | ১৭:৫৫:০৩ |
দেশের সংগীত ও চলচ্চিত্র অঙ্গনে কালজয়ী অবদান রাখায় উপমহাদেশের কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী বশির আহমেদকে (মরণোত্তর) ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬’-এ ভূষিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। 

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। এ বছর মোট ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ৫টি প্রতিষ্ঠানকে এই রাষ্ট্রীয় সম্মানের জন্য মনোনীত করা হয়েছে, যার মধ্যে বশির আহমেদের নাম রয়েছে তালিকার আট নম্বরে।

১৯৩৯ সালে কলকাতায় জন্মগ্রহণ করা বশির আহমেদ তার দীর্ঘ কর্মজীবনে অসংখ্য অবিস্মরণীয় গান উপহার দিয়েছেন। ওস্তাদ বেলায়েত হোসেন ও ওস্তাদ বড় গোলাম আলী খানের কাছে তালিম নেওয়া এই শিল্পী ষাটের দশকে বাংলা ও উর্দু চলচ্চিত্রের গানে অভাবনীয় জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। বিশেষ করে ‘অনেক সাধের ময়না আমার’, ‘আমাকে পোড়াতে যদি এত লাগে ভালো’, ‘যারে যাবি যদি যা’ এবং ‘ডেকো না আমাকে তুমি’ এর মতো গানগুলো তাকে শ্রোতাদের হৃদয়ে স্থায়ী জায়গা করে দিয়েছে।

বশির শুধু একজন কণ্ঠশিল্পীই ছিলেন না, বরং উর্দুভাষার গীতিকার, সুরকার এবং সফল সংগীত পরিচালক হিসেবেও নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। 

২০০৩ সালে ‘কখনো মেঘ কখনো বৃষ্টি’ সিনেমার জন্য তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এবং সংগীতে অবদানের জন্য একুশে পদকে ভূষিত হন। ২০১৪ সালের ১৯ এপ্রিল ৭৪ বছর বয়সে এই গুণী শিল্পীর প্রয়াণ ঘটে। মরণোত্তর এই সম্মাননা তার দীর্ঘ সংগীত সাধনার এক অনন্য স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। 

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..