✕

সর্বশেষ :
পশ্চিম তীরে জলপাই সংগ্রহে বাধা, আটক ফিলিস্তিনি নারীরা খুলনায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কলেজছাত্র নিহত ইন্সপেক্টর পদে পদোন্নতি পেলেন ১৪৯ পুলিশ সদস্য হুতির হামলায় অস্থির সৌদি, একের পর এক ভুলের খেসারত দিচ্ছে রিয়াদ সৌরবিদ্যুতে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা নতুন ঋণচুক্তির বিষয়ে আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নিচ্ছে বাংলাদেশ চার বছরে তাপপ্রবাহে ইউরোপে ২ লাখের বেশি মৃত্যু, সতর্ক করল ডব্লিউএইচও বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হওয়ার পথে ইলন মাস্ক যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতে কোভিড আমলের ঝুঁকিতে বৈশ্বিক অর্থনীতি : বিশ্বব্যাংক সমুদ্রের তলদেশে বিশ্বের প্রথম বায়ুবিদ্যুৎচালিত ডেটাসেন্টার চালু করল চীন

শিক্ষামন্ত্রী

বডি সার্চ জোরদার হবে, টয়লেটে নকল পেলে দায়ী থাকবে কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৩-০৩, | ১৭:৫৯:৫৪ |
আসন্ন এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২০২৬-কে শতভাগ নকলমুক্ত ও স্বচ্ছ করতে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি নির্দেশ দিয়েছেন- পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীদের শরীর তল্লাশি বা ‘বডি সার্চ’ আরও জোরদার করতে হবে। এমনকি কেন্দ্রের টয়লেটে নকল পাওয়া গেলেও তার দায় সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র কর্তৃপক্ষকে নিতে হবে বলে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে শিক্ষা বোর্ডগুলোর চেয়ারম্যানদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

সভায় মন্ত্রী বলেন, এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলো পুনরায় তদন্ত করে একটি হালনাগাদ তালিকা তৈরি করতে হবে। পরীক্ষায় যেকোনো ধরনের অনিয়ম ও নকল প্রতিরোধে মন্ত্রণালয় জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করবে। বিশেষ করে ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে নকল প্রতিরোধে প্রয়োজনে নতুন আইন প্রণয়ন করা হবে।

বোর্ড চেয়ারম্যানদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়ে মন্ত্রী বলেন, পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশের সময় পরীক্ষার্থীদের যথাযথভাবে শরীর তল্লাশি নিশ্চিত করতে হবে এবং শিক্ষকদের সক্রিয় ভূমিকার মাধ্যমে নকল প্রতিরোধ ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে। পরীক্ষা চলাকালীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা অনলাইন প্ল্যাটফর্মে প্রশ্নপত্র কিংবা প্রশ্নসংক্রান্ত কোনো ভুয়া কনটেন্ট আপলোড করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শিক্ষাব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়ে ড. এহছানুল হক মিলন বলেন, “মেধাভিত্তিক জাতি গঠনের জন্য আমাদের বর্তমান পরীক্ষা পদ্ধতি পরিবর্তন করতে হবে। অটোপাশের আর কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না।” একই সঙ্গে তিনি ব্যবহারিক পরীক্ষায় গড় নম্বর দেওয়ার প্রচলিত প্রথা বন্ধ করে প্রকৃত মূল্যায়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশ দেন।

দেশের শিক্ষাকাঠামো শক্তিশালী করতে মন্ত্রী জানান, যেসব জেলায় বর্তমানে জিলা স্কুল নেই, সেখানে জিলা স্কুল প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই স্কুলগুলো প্রথম শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত অর্থাৎ উচ্চমাধ্যমিক স্কুলের আদলে পরিচালিত হবে, যা দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও সমন্বিত করবে।

মতবিনিময় সভায় শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..