✕

সর্বশেষ :
পশ্চিম তীরে জলপাই সংগ্রহে বাধা, আটক ফিলিস্তিনি নারীরা খুলনায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কলেজছাত্র নিহত ইন্সপেক্টর পদে পদোন্নতি পেলেন ১৪৯ পুলিশ সদস্য হুতির হামলায় অস্থির সৌদি, একের পর এক ভুলের খেসারত দিচ্ছে রিয়াদ সৌরবিদ্যুতে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা নতুন ঋণচুক্তির বিষয়ে আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নিচ্ছে বাংলাদেশ চার বছরে তাপপ্রবাহে ইউরোপে ২ লাখের বেশি মৃত্যু, সতর্ক করল ডব্লিউএইচও বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হওয়ার পথে ইলন মাস্ক যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতে কোভিড আমলের ঝুঁকিতে বৈশ্বিক অর্থনীতি : বিশ্বব্যাংক সমুদ্রের তলদেশে বিশ্বের প্রথম বায়ুবিদ্যুৎচালিত ডেটাসেন্টার চালু করল চীন

পদত্যাগের দাবি নাকচ করলেন স্টারমার, পাশে দাঁড়িয়েছে মন্ত্রিসভা

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০২-১০, | ২০:৫৮:২২ |
ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার তার পদত্যাগের ক্রমবর্ধমান দাবি জোরালোভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে তার সরকার পরিচালনার ম্যান্ডেট এখনও অটুট। 

সম্প্রতি পিটার ম্যান্ডেলসনের সঙ্গে জেফরি এপস্টেইনের সম্পর্কের বিষয়টি নতুন করে সামনে আসায় লেবার পার্টির ভেতরে ও বাইরে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তা সত্ত্বেও স্টারমার নিজের অবস্থানে অনড় রয়েছেন। ডাউনিং স্ট্রিট থেকে জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী বর্তমানে কেবল দেশের গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলোতে মনোনিবেশ করতে চান এবং কোনো রাজনৈতিক বিতর্কের চাপে পিছু হটবেন না।

এই রাজনৈতিক সংকটের মুখে মন্ত্রিসভার জ্যেষ্ঠ সদস্যরা স্টারমারের প্রতি তাদের পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেছেন। চ্যান্সেলর এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ শীর্ষস্থানীয় মন্ত্রীরা এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, সরকার বর্তমানে ঐক্যবদ্ধ এবং প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বের ওপর তাদের গভীর আস্থা রয়েছে। তারা এই পদত্যাগের দাবিকে বিরোধী দল কনজারভেটিভদের একটি ‘রাজনৈতিক চাল’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। মন্ত্রিসভার এই সংহতি স্টারমারকে অভ্যন্তরীণ চাপ সামলে নিতে কিছুটা স্বস্তি দিলেও বিরোধী দলের পক্ষ থেকে আক্রমণ অব্যাহত রয়েছে।

অন্যদিকে বিরোধী দল এবং কিছু বিক্ষোভকারী গোষ্ঠী এই ইস্যুটিকে 'জনসাধারণের আস্থার সংকট' হিসেবে চিহ্নিত করে স্টারমারের বিদায় দাবি করছে। তারা এপস্টেইন সংশ্লিষ্ট নথিপত্র এবং ম্যান্ডেলসনের ভূমিকা নিয়ে সরকারের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। 

তবে সরকারের পক্ষ থেকে বারবার বলা হচ্ছে যে অতীতের কোনো ব্যক্তিগত সম্পর্কের দায় বর্তমান সরকারের ওপর বর্তায় না। আগামী দিনগুলোতে এই বিতর্ক ব্রিটিশ রাজনীতিতে স্টারমারের স্থিতিশীলতা এবং লেবার পার্টির জনপ্রিয়তার ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..