✕

সর্বশেষ :
পশ্চিম তীরে জলপাই সংগ্রহে বাধা, আটক ফিলিস্তিনি নারীরা খুলনায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কলেজছাত্র নিহত ইন্সপেক্টর পদে পদোন্নতি পেলেন ১৪৯ পুলিশ সদস্য হুতির হামলায় অস্থির সৌদি, একের পর এক ভুলের খেসারত দিচ্ছে রিয়াদ সৌরবিদ্যুতে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা নতুন ঋণচুক্তির বিষয়ে আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নিচ্ছে বাংলাদেশ চার বছরে তাপপ্রবাহে ইউরোপে ২ লাখের বেশি মৃত্যু, সতর্ক করল ডব্লিউএইচও বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হওয়ার পথে ইলন মাস্ক যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতে কোভিড আমলের ঝুঁকিতে বৈশ্বিক অর্থনীতি : বিশ্বব্যাংক সমুদ্রের তলদেশে বিশ্বের প্রথম বায়ুবিদ্যুৎচালিত ডেটাসেন্টার চালু করল চীন

নারী চিকিৎসকদের ওয়াশরুমে গোপন ক্যামেরা, ইন্টার্ন চিকিৎসক আটক

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০১-২৭, | ০৩:১২:৩৮ |
টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নারী চিকিৎসকদের ওয়াশরুমে গোপন ক্যামেরা স্থাপনের অভিযোগে ইন্টার্ন চিকিৎসক রায়হান কবির ইমনকে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) তাকে আটক করা হয়। এর আগে তাকে মারধর করেন কলেজের শিক্ষার্থীরা। আটক ইমন ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা থানার লক্ষ্মীখোলা গ্রামের হাসান আলীর ছেলে। 

ঘটনা জানাজানি হলে ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা ইমনের বিচার ও শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেন। এসময় ইন্টার্ন চিকিৎসকরা হাসপাতালের পরিচালকের অফিস কক্ষে ইমনকে অবরুদ্ধ করে রাখেন। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ, ডিবি পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত হন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের বিক্ষোভের মুখে একপর্যায়ে পুলিশ অভিযুক্ত চিকিৎসককে উদ্ধার করে প্রথমে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যায়। পরে টাঙ্গাইল সদর থানায় সোপর্দ করা হয়। 

জানা গেছে, ইমন টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস শেষ করে সেখানেই ইন্টার্ন করছেন। এক মাসের মধ্যে তাঁর ইন্টার্ন শেষ হবে। তিনি গত দেড় মাস ধরে হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটার ও গাইনি বিভাগে নারী চিকিৎসকদের পোশাক পরিবর্তনের কক্ষ, ওয়াশরুমসহ কয়েকটি স্থানে গোপন ক্যামেরা স্থাপন করে রাখেন। ১৪টি ভিডিও করেছেন বলে তিনি স্বীকার করেছেন। 

সোমবার বিকেলে একজন নারী চিকিৎসক ওয়াশরুমে যান। এর কিছুক্ষণ আগে ইমন ওই ওয়াশরুম থেকে বের হয়ে আসেন। নারী চিকিৎসক ওয়াশরুম ব্যবহারের সময় সেখানে একটি ক্যামেরা দেখতে পান। পরে তিনি ইমনকে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে তা অস্বীকার করেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এ ঘটনা জানাজানি হলে হাসপাতালে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। 

হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক নজরুল ইসলাম কনক বলেন, এ ঘটনায় ডাক্তার আবু হানিফকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত রিপোর্টের ভিত্তিতে আটক ইন্টার্ন চিকিৎসক রায়হান কবির ইমনের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক আব্দুল কুদ্দুস বলেন, অভিযুক্ত ইন্টার্নকে পুলিশ হেফাজতে দেওয়া হয়েছে। হাসপাতাল প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমি নিজেই বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছি। 

টাঙ্গাইল সদর থানার ওসি রুহুল আমিন জানান, খবর পেয়ে ইন্টার্ন চিকিৎসক রায়হান কবির ইমনকে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। এ ঘটনায় আরও কেউ জড়িত রয়েছে কিনা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..