সর্বশেষ :
স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে দেশের প্রতিটি নাগরিককে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ডলফিনের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড চীন, সরানো হলো ১০ লাখের ‍অধিক মানুষ ইরান ইস্যুতে কার্টারের মতোই ফাঁদে পড়েছেন ট্রাম্প! আইসিসির ‘প্লেয়ার অফ দ্য মান্থ’ পুরস্কারের তালিকায় তানজিদ হরমুজ খোলা নিয়ে অনিশ্চয়তা, বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম বাংলা কিউআর কোডে লেনদেন হবে ফ্রি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে রাজনৈতিক মানসিকতার পরিবর্তন জরুরি : রিজভী আইসিসির সেরা ক্রিকেটারদের তালিকায় ম্যাথিউস-হারশিতা ও সিভার রদ্রিকে দলে ভেড়াতে মরিয়া বার্সেলোনা, অনিশ্চিত ডি ইয়ংয়ের ভবিষ্যৎ এশিয়ার তেলের বাজারের ‘ইরান-ধাক্কা’ একাই সামলে দিচ্ছে চীন

কেরানীগঞ্জে নিখোঁজের ২১ দিন পর গৃহশিক্ষিকার বাসা থেকে মা-মেয়ের লাশ উদ্ধার

  • নিজস্ব প্রতিবেদক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০১-১৬, | ১৭:৪৩:৩৪ |
ঢাকার কেরানীগঞ্জে নিখোঁজ হওয়ার ২১ দিন পর এক গৃহশিক্ষিকার বাসা থেকে কিশোরী ও তার মায়ের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার রাতে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এ খবর পেয়ে কেরানীগঞ্জের মুক্তিরবাগ এলাকার একটি ভবনের দ্বিতীয় তলার বাসা থেকে লাশ দুটি উদ্ধারের কথা জানিয়েছেন কেরানীগঞ্জ মডেল থানার পরিদর্শক ইলিয়াস হোসাইন।

নিহত ১৪ বছর বয়সী জোবাইদা রহমান ফাতেমা ও তার মা ৩১ বছর বয়সী রোকেয়া রহমান ২৫ ডিসেম্বর থেকে নিখোঁজ ছিলেন।


লাশ উদ্ধারের পর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ফাতেমার গৃহশিক্ষিকা মিম আক্তার, তার স্বামী হুমায়ূন ও বোনকে (১৫) হেফাজতে নেয় পুলিশ।

পরে এ ঘটনায় করা মামলায় ‘প্রাথমিক স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে’ মিম ও তার বোনকে গ্রেপ্তার দেখায় পুলিশ।

পরিদর্শক ইলিয়াস বলেন, “গত ২৫ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় পার্শ্ববর্তী এলাকায় গৃহশিক্ষিকার কাছে পড়তে গিয়ে নিখোঁজ হয় স্কুলছাত্রী ফাতেমা। মেয়েকে খুঁজতে বের হয়ে তার মা রোকেয়া রহমানও নিখোঁজ হন।”


তিনি বলেন, স্ত্রী ও সন্তানকে ‘খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে’ ২৭ ডিসেম্বর শাহিন আহমেদ একটি জিডি করেছিলেন।

পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, “বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গৃহশিক্ষিকা মিমের বাসা থেকে দুর্গন্ধ বের হলে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। পরে পুলিশে খবর দিলে মিমের বাসার খাটের নিচ থেকে রোকেয়া এবং বাথরুমের ছাদ থেকে কিশোরী ফাতেমার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।”

প্রাথমিকভাবে এটিকে ‘পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড’ ধরে নিয়ে ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয় জানিয়ে তিনি বলেন, “প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মিম আক্তার এবং তার বোন স্বীকার করেন, পূর্ব শত্রুতার জেরে এ হত্যকাণ্ড ঘটানো হয়েছে।”

‘পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী’ মিম ও তার বোন প্রথমে ফাতেমাকে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। পরে রোকেয়া রহমানকে ফোন করে বাসায় ডাকেন মিম, বাসায় আসার পর তাকেও ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যা করা হয়।

পরিদর্শক ইলিয়াস বলেন, “হত্যার পর তারা লাশ ঘরে রেখেই স্বাভাবিকভাবর বসবাস করে আসছিল। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ওড়নাটি উদ্ধার করা হয়েছে।”

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..