✕

সর্বশেষ :
পশ্চিম তীরে জলপাই সংগ্রহে বাধা, আটক ফিলিস্তিনি নারীরা খুলনায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কলেজছাত্র নিহত ইন্সপেক্টর পদে পদোন্নতি পেলেন ১৪৯ পুলিশ সদস্য হুতির হামলায় অস্থির সৌদি, একের পর এক ভুলের খেসারত দিচ্ছে রিয়াদ সৌরবিদ্যুতে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা নতুন ঋণচুক্তির বিষয়ে আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নিচ্ছে বাংলাদেশ চার বছরে তাপপ্রবাহে ইউরোপে ২ লাখের বেশি মৃত্যু, সতর্ক করল ডব্লিউএইচও বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হওয়ার পথে ইলন মাস্ক যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতে কোভিড আমলের ঝুঁকিতে বৈশ্বিক অর্থনীতি : বিশ্বব্যাংক সমুদ্রের তলদেশে বিশ্বের প্রথম বায়ুবিদ্যুৎচালিত ডেটাসেন্টার চালু করল চীন

১৭৮ রান করেও রাজশাহীর কাছে পাত্তা পেলো না রংপুর

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০১-১১, | ১৭:১৩:৫০ |
এবারের বিপিএলে রানের বিবেচনায় ১৭৮ জয়ের মতো সংগ্রহই। মাত্র ৫টি ইনিংসে এর চেয়ে বেশি রান উঠেছে। কিন্তু রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে রংপুর রাইডার্স ১৭৮ রান করেও পাত্তা পেলো না। নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুহাম্মদ ওয়াসিমের ঝড়ে ৫ বল বাকি থাকতেই হেরেছে তারা।

রাজশাহীর জয়টি ৭ উইকেটে। লক্ষ্য দেওয়া রংপুরের জয়ের সম্ভাবনা উড়ে যায় ১৫ ওভারের মধ্যে। ১ উইকেটে রাজশাহী তুলে ফেলে ১৪৫ রান। শেষ ৩০ বলে আর ৩৪ রান দরকার পড়ে তাদের। তখন ৩৮ বলে ৬৮ রান নিয়ে শান্ত ও ৪৫ বলে ৬৯ রান নিয়ে ক্রিজে মুহাম্মদ ওয়াসিম। তানজিদ তামিম আউট হয়েছিলেন ৭ বলে ৩ রান করে।



৪২ বলে ৭৬ রান করেন শান্ত। তার ইনিংসে ছিল ৬টি চার ও ৪টি ছয়ের মার। ঝড় তুললেও জয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে পারেননি তিনি। ইফতিখার আহমেদকে ক্যাচ দেন মোস্তাফিজুর রহমানের ওভারে। তবে ওয়াসিম শেষ পর্যন্ত অপরাজিতই থাকেন। ৫৯ বলে ৭ চার ও ৪ ছয়ে তিনি করেন ৮৭ রান।

এর আগে তাওহীদ হৃদয়ের অপরাজিত ৯৭ রানে ভর করে নির্ধারিত ওভার শেষে ৪ উইকেটে ১৭৮ রান তুলে রংপুর। ১৫৬ ম্যাচের ক্যারিয়ারে আজ ১৪তম বারের মতো ওপেনিংয়ে নেমেছিলেন হৃদয়। কাইলে মেয়ার্স তৃতীয় ওভারে আউট হলেও হৃদয় টিকে ছিলেন ম্যাচের শেষ পর্যন্ত। শুরু থেকেই মারমুখী ছিলেন জাতীয় দলের এই ব্যাটার। রিপন মণ্ডলের ওভারে আউট হওয়া মেয়ার্সের সঙ্গে ২৯ রানের জুটির পর লিটন দাসের সঙ্গে করেন ২৮ রানের।

লিটন ১৪ বলে ১১ রান করে সন্দীপ লামিচানের শিকার হন। হৃদয়ের সবচেয়ে বড় জুটিটি হয় পাকিস্তানি ব্যাটার খুশদিল শাহর সঙ্গে। ইফতিখার আহমেদ ৮ রানে আউট হওয়ার পর ১০৫ রানের জুটি গড়েন তারা। খুশদিল জিমি নিশামকে ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে আবদুল গাফ্‌ফার সাকলাইনকে। ২৯ বলের ইনিংসটি ৪ চার ও ৩ ছয় মারেন তিনি।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..