সর্বশেষ :
স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে দেশের প্রতিটি নাগরিককে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ডলফিনের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড চীন, সরানো হলো ১০ লাখের ‍অধিক মানুষ ইরান ইস্যুতে কার্টারের মতোই ফাঁদে পড়েছেন ট্রাম্প! আইসিসির ‘প্লেয়ার অফ দ্য মান্থ’ পুরস্কারের তালিকায় তানজিদ হরমুজ খোলা নিয়ে অনিশ্চয়তা, বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম বাংলা কিউআর কোডে লেনদেন হবে ফ্রি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে রাজনৈতিক মানসিকতার পরিবর্তন জরুরি : রিজভী আইসিসির সেরা ক্রিকেটারদের তালিকায় ম্যাথিউস-হারশিতা ও সিভার রদ্রিকে দলে ভেড়াতে মরিয়া বার্সেলোনা, অনিশ্চিত ডি ইয়ংয়ের ভবিষ্যৎ এশিয়ার তেলের বাজারের ‘ইরান-ধাক্কা’ একাই সামলে দিচ্ছে চীন

রাজধানীতে আইনজীবীকে মারধর করে হত্যা

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০১-০১, | ১৯:১৪:০৪ |
রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় মোটরসাইকেলে প্রাইভেটকারের ধাক্কা লাগাকে কেন্দ্র করে নাঈম কিবরিয়া (৩৫) নামে এক শিক্ষানবিশ আইনজীবীকে মারধর করে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। তিনি পাবনা জেলা জজকোর্টের আইনজীবী ছিলেন।

বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) রাত ১০টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত কিবরিয়াকে স্বজনরা উদ্ধার করে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক রাতেই তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশ খবর পেয়ে ওই হাসপাতাল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়।

ভাটারা থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) মো. আরিফুল ইসলাম জানান, রাতে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে ধাক্কা লাগে নাঈমের প্রাইভেটকারটির। এতে মোটরসাইকেলের আরোহীরা নাঈমকে প্রাইভেটকার থেকে টেনে-হিঁচড়ে বের করে এলোপাতাড়ি মারধর করে। এক পর্যায়ে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার আই ব্লক, ১০ নম্বর রোডে ওয়ালটন বাড়ির সামনে তাকে ফেলে রেখে যায়। খবর পেয়ে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে তার মৃত্যু হয়। 

এসআই আরও জানান, নিহতের গলায়, হাত ও পিঠসহ শরীরের বিভিন্ন জায়গায় জখমের চিহ্ন রয়েছে। বিস্তারিত তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

এদিকে নিহত নাঈম কিবরিয়ার খালাত ভাই মো. রাকিবুল ইসলাম শামিম জানান, নাঈমের বাড়ি পাবনা সদর উপজেলার চকজয়েনপুর গ্রামে। তার বাবার নাম গোলাম কিবরিয়া। পাবনা জজকোর্টে শিক্ষানবিশ আইনজীবী ছিলেন নাঈম। তার মা আইরিন কিবরিয়া আওয়ামী লীগ সরকারের সময় পাবনা জেলা পরিষদের সাবেক প্যানেল চেয়ারম্যান ছিলেন। ২৪-এর বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের পরবর্তীতে নাঈমের নামে একটি মামলা হয়েছে পাবনা থানায়। এর পর থেকেই গ্রেপ্তার এড়াতে গা ঢাকা দিয়েছিলেন নাঈম। 

তিনি আরও জানান, বুধবার রাত ১০টার দিকে নাঈমের ফোন থেকে তার ফোনে একটি কল আসে। তবে তখন নাঈম কোনো কথা বলছিলেন না। শুধু হৈচৈ শোনা যাচ্ছিল। পরবর্তীতে বারবার তার ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যাচ্ছিল না। ঘণ্টাখানেক পর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার এক নিরাপত্তা কর্মী ফোন রিসিভ করে জানায়, কারা যেন আই ব্লকে নাঈমকে মারধর করে ফেলে রেখে গেছে। পরে তিনি সেখানে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে বারিধারা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখান থেকে পরবর্তীতে কুর্মিটোলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন। 

শামীম অভিযোগ করে বলেন, রাতে মব সৃষ্টি করে নাঈমকে মারধর করা হয়েছে। তবে কারা তাকে মারধর করেছে সেটি জানা নেই তাদের।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..