✕

সর্বশেষ :
পশ্চিম তীরে জলপাই সংগ্রহে বাধা, আটক ফিলিস্তিনি নারীরা খুলনায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কলেজছাত্র নিহত ইন্সপেক্টর পদে পদোন্নতি পেলেন ১৪৯ পুলিশ সদস্য হুতির হামলায় অস্থির সৌদি, একের পর এক ভুলের খেসারত দিচ্ছে রিয়াদ সৌরবিদ্যুতে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা নতুন ঋণচুক্তির বিষয়ে আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নিচ্ছে বাংলাদেশ চার বছরে তাপপ্রবাহে ইউরোপে ২ লাখের বেশি মৃত্যু, সতর্ক করল ডব্লিউএইচও বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হওয়ার পথে ইলন মাস্ক যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতে কোভিড আমলের ঝুঁকিতে বৈশ্বিক অর্থনীতি : বিশ্বব্যাংক সমুদ্রের তলদেশে বিশ্বের প্রথম বায়ুবিদ্যুৎচালিত ডেটাসেন্টার চালু করল চীন

র‌্যালির রানি মলি টেইলর

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৫-১২-২০, | ১৭:০৫:১০ |

অস্ট্রেলিয়ার জনপ্রিয় র‌্যালি গাড়িচালক মলি অ্যানে টেইলর জন্মগ্রহণ করেন ৬ মে ১৯৮৮ সালে সিডনিতে। ছোটবেলায় থেকেই তার জীবনে গাড়ি আর গতির প্রতি আলাদা আকর্ষণ তৈরি হয়েছিল। এর একটি বিশেষ কারণ হচ্ছে তার পরিবার। বাবা-মা দুজনই মোটর রেসের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত ছিলেন। মা করাল টেইলর ছিলেন চারবারের জাতীয় র‌্যালি সহচালক চ্যাম্পিয়ন, বাবা মার্ক টেইলরও দীর্ঘদিন ক্রীড়ার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ফলে ছোটবেলায়ই গাড়ি, রাস্তাঘাট, প্রতিযোগিতা—এসব ছিল তার জীবনের স্বাভাবিক পরিবেশ।


শৈশবে মলি ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতায় অংশ নিতেন। বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে পুরস্কারও জিতেছিলেন। তবে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে গতির প্রতি তার আকর্ষণ আরও প্রবল হয়। এক সময় তিনি নিজের প্রিয় ঘোড়াটি বিক্রি করে সেই অর্থ দিয়ে প্রথম র‌্যালি গাড়িটি কেনেন। তার কথায়, ‘একটি ঘোড়ার বদলে শতগুণ শক্তি পাওয়ার লোভেই র‌্যালিতে আসা।’
তিনি নিউ সাউথ ওয়েলসের একটি মেয়েদের বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ে বাণিজ্য বিষয়ে ভর্তি হলেও র‌্যালির প্রতি বিশাল টান তাকে পড়াশোনার বাইরে টেনে আনে। তিনি সিদ্ধান্ত নেন, জীবনের আসল পথ হবে গাড়ি চালনার জগতে সাফল্য খোঁজা।



র‌্যালি জগতে প্রবেশ
মলি প্রথম গাড়ি চালনার আনুষ্ঠানিক শিক্ষা নেন তার বাবার পরিচালিত র‌্যালি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে। সেখান থেকেই তিনি সুরক্ষিতভাবে উচ্চগতির গাড়ি নিয়ন্ত্রণের কৌশল শেখেন। এর পর স্থানীয় ছোট প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে প্রথম স্থান অর্জন করেন। এ সাফল্য তার মধ্যে আত্মবিশ্বাস জাগায়।
২০০৬ সাল তার জীবনে বড় মোড় আনে। সে বছর তিনি দেশের মোটর ক্রীড়া ফাউন্ডেশনের আন্তর্জাতিক প্রতিভা বাছাই কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত হন। এমন কর্মসূচিতে প্রথমবারের মতো কোনো তরুণী সুযোগ পান। একই বছর তিনি নিউ সাউথ ওয়েলস র‌্যালি প্রতিযোগিতায় দুটি বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হন। এ অর্জনের জন্য পান ‘বর্ষসেরা তরুণ প্রতিভা’ সম্মাননা।
পরবর্তী দুই বছর জাতীয় র‌্যালির একই বিভাগের চ্যাম্পিয়ন হয়ে প্রমাণ করেন যে তার প্রতিভা স্থায়ী ও ক্রমবর্ধমান। কেবল জাতীয় পর্যায়েই নয়, তিনি আন্তর্জাতিক মঞ্চে যাওয়ার মতো সক্ষমতা রাখেন।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..