সর্বশেষ :
স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে দেশের প্রতিটি নাগরিককে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ডলফিনের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড চীন, সরানো হলো ১০ লাখের ‍অধিক মানুষ ইরান ইস্যুতে কার্টারের মতোই ফাঁদে পড়েছেন ট্রাম্প! আইসিসির ‘প্লেয়ার অফ দ্য মান্থ’ পুরস্কারের তালিকায় তানজিদ হরমুজ খোলা নিয়ে অনিশ্চয়তা, বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম বাংলা কিউআর কোডে লেনদেন হবে ফ্রি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে রাজনৈতিক মানসিকতার পরিবর্তন জরুরি : রিজভী আইসিসির সেরা ক্রিকেটারদের তালিকায় ম্যাথিউস-হারশিতা ও সিভার রদ্রিকে দলে ভেড়াতে মরিয়া বার্সেলোনা, অনিশ্চিত ডি ইয়ংয়ের ভবিষ্যৎ এশিয়ার তেলের বাজারের ‘ইরান-ধাক্কা’ একাই সামলে দিচ্ছে চীন

‘কানুদা ব্যবসা করতেন, তবে টাকা তার কাছে মুখ্য ছিল না’

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২০-০১-০৯, | ১২:৫৪:২২ |

যখন আমাদের প্রিয় জামালপুরে আজকের মতো এতো এতো ক্যামেরা ফোন, ডিএসএলআর ক্যামেরা বা ফ্লিম ক্যামেরা ছিলনা তখন হাতেগোনা যে কজন ফটোগ্রাফার ছিলেন জামালপুর শহর বা জেলাতে তাদের মধ্যে সবার প্রিয় এবং সহজ সরল একজন মানুষ ছিলেন আমাদের কানুদা। তার প্রতিষ্ঠান- ষ্টেশন রোড, পৌরসভা গেট সংলগ্ন তাপসী কালার স্টুডিও।

কানুদাকে খুব কাছ থেকে দেখেছি ১৫/১৬ বছর। তার প্রতিষ্ঠানের পেছনেই ছিল আমাদের বাসা। ধনী, গরীব, কিশোর-কিশোরী, যুবক-যুবতী এক কথায় শিশু থেকে বৃদ্ধ যেই ছবি তুলতে যেতো; যতক্ষণ পর্যন্ত তার মনমতো না হতো ততক্ষণ তিনি ছবি তুলতেন না। বিভিন্নভাবে নির্দেশনা দিতে থাকতেন।

কানুদা ব্যবসা করতেন ঠিক, তবে টাকা তার কাছে মুখ্য বিষয় ছিল না। অনেক দিন দেখেছি ছবি তোলার জন্য বাহিরে চলে গেছেন কোনমতে শাটার নামিয়ে, তালাও লাগান নি।

সে সময় জামালপুরের এমপি, মন্ত্রী, ডিসি, এসপি বা সরকারি কর্মকর্তাগণ গাড়ি পাঠিয়ে দিয়ে কানুদাকে নিয়ে যেতেন বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ছবি তোলার জন্য। বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক,পারিবারিক অনুষ্ঠানে ছবি তোলার জন্য শেষ ভরসা ছিলেন কানুদা৷ খুব ভালো মানুষ ছিলেন তিনি।

কানুদা (অজিত সোম কানু) আর আমাদের মাঝে নেই! আমরা জামালপুরবাসী শোকাহত।

শফিকুল হাসান তুষারের ফেসবুক থেকে…

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..