সর্বশেষ :
স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে দেশের প্রতিটি নাগরিককে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ডলফিনের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড চীন, সরানো হলো ১০ লাখের ‍অধিক মানুষ ইরান ইস্যুতে কার্টারের মতোই ফাঁদে পড়েছেন ট্রাম্প! আইসিসির ‘প্লেয়ার অফ দ্য মান্থ’ পুরস্কারের তালিকায় তানজিদ হরমুজ খোলা নিয়ে অনিশ্চয়তা, বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম বাংলা কিউআর কোডে লেনদেন হবে ফ্রি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে রাজনৈতিক মানসিকতার পরিবর্তন জরুরি : রিজভী আইসিসির সেরা ক্রিকেটারদের তালিকায় ম্যাথিউস-হারশিতা ও সিভার রদ্রিকে দলে ভেড়াতে মরিয়া বার্সেলোনা, অনিশ্চিত ডি ইয়ংয়ের ভবিষ্যৎ এশিয়ার তেলের বাজারের ‘ইরান-ধাক্কা’ একাই সামলে দিচ্ছে চীন

সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী ৮৫ তে

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২০-০৬-২৩, | ১০:৪৫:০৩ |

প্রথম পাতাজুড়ে যার লেখা না থাকলে জাতীয় দৈনিকের বিশেষ সংখ্যা অপূর্ণ থেকে যায়, সেই শিক্ষবিদের আজ জন্মদিন। তিনি সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী। আজীবন সংগ্রামী আর আদর্শে দৃঢ়চেতা এই মানুষটি জীবনের ৮৪ বসন্ত পার করেছেন। প্রায় ছয় দশক ধরে লিখে আসছেন। এই দীর্ঘ সময়ে তার লেখার কদর এতটুকুও কমেনি। ক্ষুরধার লেখনীতে পাঠকের হৃদয়ে শক্ত স্থান দখল করে আছেন।

পাঠদান থেকে অবসর নিয়েছেন এই ইমেরিটাস অধ্যাপক। কিন্তু গবেষণা বা আন্দোলনে এখনও সমহিমায় ভাস্বর। তার ব্যস্ততা আরও বেড়েছে। এখনও কাজেই ডুবে থাকতে চান। লেখালেখি চালিয়ে যাচ্ছেন সমানতালে।

সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী আড়ম্বরপূর্ণভাবে জন্মদিন পালন করতে পছন্দ করেন না। বলেন, ‘ওভাবে তো জন্মদিন উদযাপন করি না। তার প্রয়োজনও দেখি না। পেছনে ততটা তাকাই না। সামনের দিকেই চোখ রাখি। বয়স বাড়ছে। শুধু লক্ষ রাখি– কাজের ধারাবাহিকতা থাকছে কিনা, সেটি জরুরি।’

সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীর জন্ম ১৯৩৬ সালে ২৩ জুন, বিক্রমপুরে। প্রায় শত গ্রন্থের রচয়িতা সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগে অধ্যাপনা করেছেন দীর্ঘ সময়। ইংরেজির শিক্ষক হলেও বাংলা ভাষায় তার প্রজ্ঞা যে কেউ স্বীকার করতে বাধ্য। পত্রিকার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে এই মানুষটির পাতাজুড়ে লেখার অপেক্ষায় থাকেন পাঠক। এত বড় লেখা যার পরতে পরতে মেসেজ। পাঠক বিরক্ত হন না এতটুকুও। এভাবেই চলে আসছে কয়েক যুগ।

তার গবেষণা ও লেখালেখির মূল অনুপ্রেরণা সাম্যের স্বপ্ন। লেখালেখির পাশাপাশি তিনি সম্পাদনা করেছেন পত্রিকা, সম্পৃক্ত হয়েছেন জনমুখী আন্দোলনে।

বর্তমানে তিনি নতুন দিগন্ত পত্রিকার সম্পাদক। কর্মজীবনে তিনি ঢাকা ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট এবং সিন্ডিকেটের সদস্য ছিলেন। দুবার তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিনেটের উপাচার্য নিয়োগের প্যানেলে মনোনয়ন পেলেও ভিসি পদ প্রত্যাখ্যান করেছেন।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..