✕

সর্বশেষ :
পশ্চিম তীরে জলপাই সংগ্রহে বাধা, আটক ফিলিস্তিনি নারীরা খুলনায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কলেজছাত্র নিহত ইন্সপেক্টর পদে পদোন্নতি পেলেন ১৪৯ পুলিশ সদস্য হুতির হামলায় অস্থির সৌদি, একের পর এক ভুলের খেসারত দিচ্ছে রিয়াদ সৌরবিদ্যুতে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা নতুন ঋণচুক্তির বিষয়ে আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নিচ্ছে বাংলাদেশ চার বছরে তাপপ্রবাহে ইউরোপে ২ লাখের বেশি মৃত্যু, সতর্ক করল ডব্লিউএইচও বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হওয়ার পথে ইলন মাস্ক যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতে কোভিড আমলের ঝুঁকিতে বৈশ্বিক অর্থনীতি : বিশ্বব্যাংক সমুদ্রের তলদেশে বিশ্বের প্রথম বায়ুবিদ্যুৎচালিত ডেটাসেন্টার চালু করল চীন

উৎসমুখ ভরাট রেখেই খাল খনন, সেচ দেওয়া যাচ্ছে না পাঁচ হাজার হেক্টর জমিতে

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৫-০১-২৫, | ০৯:৩৪:০১ |

উৎসমুখ ভরাট রেখেই কিশোরগঞ্জের নিকলী হাওরে ২ কোটি ৬১ লাখ টাকা ব্যয়ে খনন হয়েছে সাড়ে ৮ কিলোমিটার দীর্ঘ খাল। অসম্পূর্ণভাবে খাল খননের কারণে হাওরের প্রায় পাঁচ হাজার হেক্টর বোরো জমিতে সেচ দেওয়া যাচ্ছে না। দ্রুত খালের উৎসমুখ খুলে দিয়ে সেচ নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছেন কৃষকেরা।

নিকলীর জোয়ানশাহী হাওরাঞ্চলের মাঝ দিয়ে বয়ে গেছে সাড়ে ৮ কিলোমিটার দীর্ঘ বুরুলিয়া খাল। ২০২২ সালে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) অর্থায়নে খাল খনন করে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর। কৃষকদের অভিযোগ, খালটির উৎসমুখ ভরাট রেখেই কাজ শেষ করেন ঠিকাদার।

কৃষকেরা বলছেন, নদী থেকে খালে পানি প্রবাহ না থাকায় শুকনো মৌসুমে সেচ সুবিধা মিলছে না। এ কারণে পাঁচ হাজার হেক্টর বোরো জমি আবাদের জন্য বাড়তি খরচ হচ্ছে কৃষকদের। বাড়ছে বোরো ধানের উৎপাদন খরচও।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আমিরুল ইসলাম বলেন, চাষিদের ভোগান্তির কথা চিন্তা করে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে খালের উৎসমুখ খননের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২২ সালের মে পর্যন্ত বুরুলিয়া খালের খননকাজ হয়। ঠিকাদার হিসেবে ছিলেন নিকলী সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শাহরিয়ার আহমেদ।

নিজস্ব অর্থায়নে রাস্তাটি বেকু দিয়ে নির্মাণ কাজ করে যাচ্ছেন। ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব অর্থায়নে রাস্তা নির্মাণ: এদিকে, বাজিতপুর উপজেলার মাইজচর ইউনিয়নের আয়নারগোপ কবরস্থান হতে পারকচুয়া বোরাগাছ সংলগ্ন ৫০০ মিটার কাঁচা রাস্তার কাজ এ ৩ গ্রামের ৪,০০০-৫,০০০ লোক নিজস্ব অর্থায়নে রাস্তাটি বেকু দিয়ে নির্মাণ কাজ করে যাচ্ছেন।

জানা যায়, ত্রিশ বছর ধরে রাস্তা না থাকার কারণে বৈশাখ ও জৈষ্ঠ্য মাসে গ্রামবাসীদের নৌকা দিয়ে ধানগুলো আনতে হতো। কয়েক সরকার বদল হলেও তাদের এ রাস্তার সমাধান কেউ করতে পারেনি। রাস্তার সমাধান করতে না পারায় এ ৩ গ্রামের লোকজন নিজস্ব অর্থায়নে গত ৩ দিন ধরে কাঁচা রাস্তা নির্মাণের কাজ শুরু করেছেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন মাইজচর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মহসিন মিয়া, চেয়ারম্যান প্রার্থী মিজবাহ উদ্দীন মিজান, মো.কবির হোসেনসহ অসংখ্য গ্রামবাসী।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..