✕
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ :- ২০২৬-১০-১৮, | ১৪:৪৫:৩৬ |গাজীপুরের টঙ্গী রেলওয়ে জংশনের আশপাশে চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ এবং যাত্রীদের মালামাল ছিনতাইয়ের অভিযোগ ক্রমেই উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। ট্রেনের গতি কমালে বা আউটার সিগন্যালে থামলে দুর্বৃত্তরা পাথর নিক্ষেপ, ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে হামলা ও ছিনতাই করছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী ও স্থানীয়রা।
অন্যদিকে, নিরাপত্তাবেষ্টনীর অভাব ও জনবল সংকটের কথা স্বীকার করে অপরাধ দমনে চ্যালেঞ্জের কথা জানিয়েছে রেলওয়ে পুলিশ।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, স্টেশনের প্রায় এক কিলোমিটার দূরে বনমালা রেলগেট, তিস্তার গেট ও মরকুন উত্তরপাড়া নিমতলী আউটার সিগন্যালে ট্রেন থামার সময় বা গতি কমালে আগে থেকে ওত পেতে থাকা দুর্বৃত্তরা পাথর নিক্ষেপ ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে আক্রমণ করে। পরে ট্রেনে থাকা যাত্রীদের মোবাইল ফোন ও স্বর্ণালংকার ছিনতাই করে পালিয়ে যায়।
গত ২ আগস্ট সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে টঙ্গী জংশনের কাছাকাছি তিস্তার গেট এলাকায় চলন্ত ‘জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস’ ট্রেনে বাইরে থেকে পাথর নিক্ষেপ করা হয়। এতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দুই যাত্রী আহত হন। এছাড়া বেশ কয়েকজনের মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। সম্প্রতি বনমালা এলাকায় আউটার সিগন্যালে ট্রেন থামলে ছিনতাইকারীরা মোবাইল কেড়ে নেয়। বাধা দিলে ছুরিকাঘাতের চেষ্টা চালায়।
এ বিষয়ে টঙ্গী থানা পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা বলেন, এটা রেলের বিষয়। রেলওয়ে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা বলেন, জনবল কম থাকায় ছিনতাইকারীদের সঙ্গে পেরে ওঠা সম্ভব হচ্ছে না।
টঙ্গী রেলওয়ে ফাঁড়ির ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক নূরে আলম বলেন, ‘আউট সিগন্যালে ট্রেন থামলে একদল ছিনতাইকারী ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ করে। এদের প্রত্যেকের হাতে ধারালো অস্ত্র থাকায় কেউ কিছু বলতে সাহস পায় না। জংশনের চারপাশে নিরাপত্তা বেষ্টনী না থাকায় অপরাধীরা হুট করেই ঢুকে পড়ে। আমাদের জনবল কম থাকায় এসব রোধে বেগ পেতে হয়। তারপরও চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’