✕

সর্বশেষ :
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ৩ অনুপ্রেরণাদায়ী ব্যক্তির সাক্ষাৎ ধানমন্ডিতে ফুটপাতে মারধরের ঘটনায় যুবক আটক, দাঁড়িয়ে থাকা এএসআই প্রত্যাহার উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে আন্দোলনে অচল ক্যাম্পাস—চুয়েটে যা ঘটল রিমান্ড শেষে আয়াস-রিমি কারাগারে সেই দেয়ালে এবার বেগম রোকেয়া, জসীমউদ্‌দীন ও জীবনানন্দ দাশের প্রতিকৃতি সিসামুক্ত দেশ গড়তে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান স্কুলের অফিস কক্ষে শিক্ষক দম্পতির মারামারি, নেওয়া হচ্ছে ব্যবস্থা কয়রার অসুস্থ মা ও শিশুর চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন ডা. জুবাইদা রহমান যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি বাড়িয়েছি, এখন আমাদের বাড়তি সহায়তা পাওয়া উচিত: অর্থমন্ত্রী নোবেল পুরস্কারের ফেসবুক পেজে রবীন্দ্রনাথ ও রাসেলের ১১৪ বছরের পুরোনো চিঠি

কয়রার অসুস্থ মা ও শিশুর চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন ডা. জুবাইদা রহমান

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-১০-১৪, | ২৩:১৫:০৯ |

অর্থের অভাবে চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় পুষ্টিকর খাবার জোগাতে না পেরে অসুস্থ স্ত্রী ও শিশুসন্তানের আকুতির কথা জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও প্রকাশ করেছিলেন খুলনার কয়রার দিনমজুর হারুন সানা। হৃদয়বিদারক ভিডিওটি নজরে আসার পর সেই অসুস্থ মা দুলিপা পারভীন ও শিশুসন্তান হোসাইনের সম্পূর্ণ চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের (জেডআরএফ) ভাইস প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান।

তাঁর বিশেষ নির্দেশনায় বর্তমানে মা ও শিশুকে কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রেখে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে।

খুলনার কয়রা উপজেলার বামিয়া শ্রীফলতলা গ্রামের হারুন সানার পরিবার দীর্ঘদিন ধরে চরম আর্থিক সংকটে ভুগছিল। অসুস্থ স্ত্রী দুলিপা পারভীন ও শিশুসন্তানের প্রয়োজনীয় ওষুধ ও পথ্য কেনার সামর্থ্য না থাকায় তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি আবেগঘন ভিডিও প্রকাশ করেন। বিষয়টি জানার পরপরই খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সদস্যসচিব এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পীকে মা ও শিশুর সুচিকিৎসার ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন ডা. জুবাইদা রহমান।

নির্দেশনা অনুযায়ী কয়রার প্রতিনিধি দল অবিলম্বে ওই বাড়িতে যায় এবং গত ২০ সেপ্টেম্বর সকালে মা ও শিশুকে কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক রেজাউল করিম রাজিব জানান, দুলিপা পারভীন মূলত তীব্র পুষ্টিহীনতাজনিত দুর্বলতায় ভুগছিলেন। তাঁকে প্রয়োজনীয় ওষুধ ও মাল্টিভিটামিন স্যালাইন দেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে শিশুটির জলবসন্ত-পরবর্তী সমস্যা কাটানোর জন্য বিশেষ পুষ্টিকর দুধসহ প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা হচ্ছে। বর্তমানে তাঁদের দুজনের শারীরিক অবস্থাই আশঙ্কামুক্ত ও স্বাভাবিক রয়েছে।

জেডআরএফের প্রতিনিধি ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ জানান, চিকিৎসার অগ্রগতি দেখে প্রয়োজনে উচ্চতর মেডিকেল বোর্ড গঠনসহ পরবর্তী যেকোনো আর্থিক ও প্রশাসনিক সহায়তা বজায় রাখা হবে। ডা. জুবাইদা রহমানের এমন মানবিক পদক্ষেপে স্বস্তি ফিরেছে পরিবারটিতে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..