আমিষের সহজলভ্য উৎস হিসেবে, বেশিরভাগ মানুষের খাদ্যতালিকায় অগ্রাধিকার থাকে ডিমের। বিশেষ করে মাছ-মাংসের তুলনায় কম দামে পুষ্টির চাহিদা মেটাতে অনেক পরিবারই ডিমের ওপর নির্ভরশীল।
কিন্তু গত দুই মাসের বেশি সময় ধরে বাজারে ডিমের দাম বাড়তি। গত বছর এই সময় এক ডজন ফার্মের বাদামি ডিমের দাম ছিল ১২০ থেকে ১৩০ টাকা। অথচ এ বছর দীর্ঘ সময় ধরে এই ডিমের প্রতি ডজনের দাম ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা। পাড়া-মহল্লার দোকানে গুনতে হচ্ছে ১৬০ টাকা পর্যন্ত।
ক্ষোভ প্রকাশ করে ক্রেতারা জানান, ডিমের উৎপাদন খরচ তো এত না। উৎপাদন খরচ যেটা শোনা যাচ্ছে, ১২০ টাকায় বিক্রি করা যায়। এখানে সিন্ডিকেটের সমস্যা আছে। সিন্ডিকেট যদি ভেঙে যায়, ডিমের দামটা অবশ্যই কমে যাবে। যারা স্টুডেন্ট হলে থাকে, তাদের ডিমই অল্টারনেটিভ অপশন। তাদের ক্ষেত্রে তো ডিম কিনে খাওয়া এখন মানে আকাশচুম্বী ব্যাপার।
বিক্রেতাদের দাবি গরমের মৌসুমে ডিমের দাম বেড়ে যায়, তাই শীতের আগে এই দাম খুব একটা কমার সম্ভাবনা নেই।
ডিমের দাম বাড়ার বিষয়ে বিক্রেতারা জানান, ডিমের আমদানিটা কম। ডিমের সাপ্লাই কম। এর কারণ হচ্ছে, কিছুদিন আগে যে বন্যা হয়েছে, বন্যার কারণে অনেক ফার্ম নষ্ট হয়ে গেছে। বর্তমানে ডিম কেনা পড়ছে সাড়ে ১১শ, ১ হাজার ১৪০, ১ হাজার ১৮০। সবদিন একরকম না; কমবেশি হয়।
সাধারণ মানুষ বলছে, ডিমের দাম যদি আরেকটু কমে, তাহলে সবার জন্য একটু ভালো হবে। কারণ কী? এটা একবারে নিম্নবর্গের পরিবার থেকে হাই সোসাইটি পর্যন্তই লাগে। সবার জন্যই দরকার।
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার অজুহাতে ব্যবসায়ীরা নতুন করে যেন ডিমের দাম বাড়াতে না পারে, সে বিষয়ে বিশেষ নজরদারি দাবি ভোক্তাদের।
এ জাতীয় আরো খবর..