✕


সৌদি যুবরাজের সঙ্গে সেন্টকম প্রধানের সাক্ষাৎ

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৯-১৪, | ১৭:৩০:০৬ |

আঞ্চলিক উত্তেজনার জেরে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান এবং তার সফরসঙ্গী প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। সৌদি বার্তা সংস্থা এসপিএ-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) জেদ্দায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে সৌদি আরবের প্রতিমন্ত্রী, মন্ত্রিসভার সদস্য এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মুসায়েদ বিন মোহাম্মদ আল-আইবানও এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

ইয়েমেনে সরকারি বাহিনী ও হুথিদের মধ্যে সংঘাত বৃদ্ধি এবং সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনাগুলোর ওপর বিদ্রোহী গোষ্ঠীটির হামলার প্রেক্ষাপটে এই বৈঠকের বিষয়টি সামনে এল। এ সময় উভয় পক্ষ রিয়াদ ও ওয়াশিংটনের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং আঞ্চলিক পরিস্থিতির সর্বশেষ ঘটনাবলি আলোচনা করেন।

এর কয়েক দিন আগে বিষয়টি সম্পর্কে অবগত তিনটি সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছিল, হুথিদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সহায়তার জন্য যুবরাজ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে সামরিক সহায়তা চেয়েছিলেন। সূত্রগুলো আরও জানায়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট হুথিদের ওপর মার্কিন হামলার বিষয়ে সম্মত হননি; তবে ওয়াশিংটন রিয়াদকে জানিয়েছে, তারা গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান এবং লক্ষ্যবস্তু শনাক্তকরণে সহায়তা প্রদান করবে।

হুথিরা সৌদি শহর ও জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর হামলা জোরদার করেছে এবং একই সঙ্গে ইয়েমেনের লোহিত সাগর উপকূল ধরে গুরুত্বপূর্ণ নৌ-চলাচলের পথ ‘বাব আল-মান্দেব প্রণাণির দিকে অগ্রসর হচ্ছে। অব্যাহত সংঘাতের কারণে সৌদি আরবের তেল রপ্তানি ও বিশ্বব্যাপী নৌ-চলাচল ব্যবস্থা নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে।

২০১৪ সালে ইয়েমেনের রাজধানী সানা দখলকারী হুথিরা এক দশকেরও বেশি সময় ধরে সৌদি-নেতৃত্বাধীন জোটের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে আসছে; তবে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোর আগ পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যের বৃহত্তর সংঘাত থেকে তারা মূলত দূরেই ছিল। ইয়েমেনের লোহিত সাগর উপকূল বরাবর তাদের এই অগ্রযাত্রা দেশটিতে গত কয়েক বছরের মধ্যে সংঘটিত সবচেয়ে তীব্র সংঘাতের একটি অংশ।

সোমবার হুথিরা জানিয়েছে, ইয়েমেনের বিরুদ্ধে সৌদি আগ্রাসনের জবাবে তারা খামিস মুশাইতের কিং খালিদ বিমান ঘাঁটির সামরিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে একটি ‘ব্যাপক সামরিক অভিযান’ চালিয়েছে। হুথি সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি জানিয়েছেন, এই হামলায় ডজন ডজন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে। এগুলোর লক্ষ্যবস্তু ছিল ওই ঘাঁটির বিমান হ্যাঙ্গার, রাডার স্থাপনা, রানওয়ে, গোলাবারুদের গুদাম এবং অন্যান্য স্থাপনা।

তিনি জানান, গত পাঁচ দিনে ইয়েমেনের অধিকাংশ প্রদেশে সৌদি আরবের ৩০০টিরও বেশি বিমান হামলার পর এই পাল্টা হামলা চালানো হলো। ওই সৌদি হামলাগুলোতে খামিস মুশাইত ও তাইফ বিমান ঘাঁটি থেকে এফ-১৫ এবং টাইফুন যুদ্ধবিমান ব্যবহার করা হয়েছিল।

সূত্র: রয়টার্স।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..