✕


বয়সের নতুন রেকর্ডের স্বীকৃতি চান ফ্লোরেস

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৯-১০, | ০১:৩০:৫১ |

কোস্টারিকার প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূল থেকে কিছুটা দূরের এক শহর সার্ডিনাল। সেখানকার একটি সাধারণ কাঠের বাড়িতে ঘুমানো, নাতনির হাতের রান্না খাওয়া আর তার সঙ্গে হাসি-আনন্দে পাঞ্জা লড়ে দিন কাটে হোসে ফ্লোরেসের। সরকারি নথি ও পরিবারের দাবি অনুযায়ী তার বয়স এখন ১১৯ বছর! আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেলে তিনিই হবেন বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক জীবিত মানুষ।

সার্ডিনাল শহরটি মূলত নিকোয়া উপদ্বীপের অন্তর্ভুক্ত, যা বিশ্বের পাঁচটি ‘ব্লু জোন’-এর একটি। এখানকার মানুষেরা সাধারণত দীর্ঘ ও সুস্থ জীবনযাপন করে থাকেন। স্থানীয়দের এমন দীর্ঘায়ুর মূল রহস্য হলো ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ পানি, ভুট্টা-শিমের তৈরি খাবার, কায়িক শ্রম এবং গভীর পারিবারিক ও সামাজিক বন্ধন।

যৌবনে কৃষিকাজ করা ফ্লোরেস এখন বেশ শান্ত ও সুখী জীবন কাটাচ্ছেন। তার নাতনি ও সেবিকা হেলেনের মতে, ভালোবাসা আর পরম যত্ন ছাড়া তার দাদার এত দিন বেঁচে থাকা সম্ভব হতো না।

গবেষক হোর্হে ভিন্দাস বলেন, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ও চাপমুক্ত জীবনের পাশাপাশি এদের আধ্যাত্মিকতা ও দৃঢ় বিশ্বাস দীর্ঘায়ুর বড় কারণ।

ফ্লোরেসের পরিচয়পত্র অনুযায়ী তার জন্ম ১৯০৭ সালের ১১ জুলাই। গবেষক ভিন্দাস জানান, জন্মসনদসহ তাদের কাছে ফ্লোরেসের জীবনের অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রামাণ্য দলিল রয়েছে। এখন শুধু গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতির অপেক্ষা।

ফ্লোরেস ৮ সন্তানের জনক। এছাড়া তার ২৩ জন নাতি-নাতনি, ২৫ জন প্রপৌত্র-প্রপৌত্রী এবং এক প্র-প্রপৌত্রী রয়েছে। স্বীকৃতিটি পেলে তা কোস্টারিকা ও পরিবারের জন্য বড় গর্বের বিষয় হবে বলে মনে করেন হেলেন।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের এপ্রিলে ব্রাজিলিয়ান নান ইনাহ ক্যানাবারো লুকাসের মৃত্যুর পর বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তি হলেন যুক্তরাজ্যের ১১৭ বছর বয়সী নারী এথেল ক্যাটারহ্যাম।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..