✕


হরমুজ প্রণালিতে সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েনের প্রস্তুতি দক্ষিণ কোরিয়ার

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৯-০৪, | ১২:৩০:৫৬ |

বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচলের স্বাধীনতা অক্ষুণ্ণ রাখতে সামরিক পদক্ষেপসহ বাস্তবসম্মমত বিভিন্ন বিকল্প পর্যালোচনা করছে দক্ষিণ কোরিয়া। চলতি বছরের শেষের দিকে এসব সরঞ্জাম মোতায়েন করা হতে পারে।

তবে সরকার ইতোমধ্যেই সেনা বা সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে বলে গণমাধ্যমে উঠে আসা প্রতিবেদন খারিজ করে দিয়েছে দেশটির প্রেসিডেন্টের কার্যালয়।

শুক্রবার ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

জেটিবিসি ও এমবিসি-সহ বেশ কয়েকটি দক্ষিণ কোরীয় গণমাধ্যম বৃহস্পতিবার রাতে জানায়, চলতি বছর শেষ হওয়ার আগেই সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েনের প্রস্তুতি নিচ্ছে সিউল এবং চলতি মাসেই তারা এ বিষয়ে সংসদীয় অনুমোদন চাইতে পারে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিবেচনার অধীনে থাকা বিকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে একটি সামুদ্রিক টহল বিমান, একটি রসদ সরবরাহকারী জাহাজ বা একটি মাইন শনাক্ত ও অপসারণকারী ইউনিট।

প্রতিবেদনগুলোতে আরও বলা হয়, সিউল যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সসহ বিভিন্ন দেশের সাথে এই সম্ভাব্য সহায়তার পরিধি ও ধরণ নিয়ে আলোচনা করছে।

প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের এক কর্মকর্তা সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, প্রণালীতে নৌ চলাচলের স্বাধীনতায় কীভাবে বাস্তবিক অবদান রাখা যায় সে বিষয়গুলো নিয়ে দক্ষিণ কোরিয়া আলোচনা করছে এবং সামরিক পদক্ষেপের বিষয়গুলোও পর্যালোচনার অধীনে থাকা বিকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে বলে নিশ্চিত করেন।

‘এখনও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি,’ উল্লেখ করে ওই কর্মকর্তা আরও যোগ করেন, সিউলকে তাদের দেশের অভ্যন্তরীণ আইনি প্রক্রিয়া, কোরীয় উপদ্বীপের সামরিক প্রস্তুতি এবং সংসদীয় অনুমোদনের বিষয়গুলোও বিবেচনায় রাখতে হবে।

ওই কর্মকর্তা হরমুজ প্রণালি সংক্রান্ত বিষয়ে দক্ষিণ কোরিয়া কোনো সাহায্য করেনি বলে ওঠা দাবিকে ‘সত্য নয়’ বলে উড়িয়ে দেন। তিনি বলেন যে সিউল আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সাথে দীর্ঘদিন ধরেই বাস্তবসম্মত অবদান রাখা নিয়ে আলোচনা করে আসছে।

কর্মকর্তা জানান, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়াং আগামী সপ্তাহে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সাথে বৈঠকের সময় হরমুজ প্রণালি সংক্রান্ত বিকল্পগুলো নিয়ে আলোচনা করতে পারেন।

গত আগস্টে সোশ্যাল মিডিয়ায় এক পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, তিনি যুক্তরাষ্ট্র-দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ সামরিক মহড়া কিছুটা কমিয়ে দিয়েছেন। কারণ ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তা করতে দক্ষিণ কোরিয়া অস্বীকৃতি জানিয়েছিল।

সূত্র: রয়টার্স।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..