✕

সর্বশেষ :
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ৩ অনুপ্রেরণাদায়ী ব্যক্তির সাক্ষাৎ ধানমন্ডিতে ফুটপাতে মারধরের ঘটনায় যুবক আটক, দাঁড়িয়ে থাকা এএসআই প্রত্যাহার উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে আন্দোলনে অচল ক্যাম্পাস—চুয়েটে যা ঘটল রিমান্ড শেষে আয়াস-রিমি কারাগারে সেই দেয়ালে এবার বেগম রোকেয়া, জসীমউদ্‌দীন ও জীবনানন্দ দাশের প্রতিকৃতি সিসামুক্ত দেশ গড়তে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান স্কুলের অফিস কক্ষে শিক্ষক দম্পতির মারামারি, নেওয়া হচ্ছে ব্যবস্থা কয়রার অসুস্থ মা ও শিশুর চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন ডা. জুবাইদা রহমান যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি বাড়িয়েছি, এখন আমাদের বাড়তি সহায়তা পাওয়া উচিত: অর্থমন্ত্রী নোবেল পুরস্কারের ফেসবুক পেজে রবীন্দ্রনাথ ও রাসেলের ১১৪ বছরের পুরোনো চিঠি

একই দিনে সূর্যগ্রহণ ও উল্কাবৃষ্টি

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৮-১২, | ১৪:০৯:৩৮ |

২০২৬ সালের ১২ আগস্ট রাতের আকাশে ঘটতে যাচ্ছে সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম সেরা মহাজাগতিক প্রদর্শনী। এ দিন গভীর রাতে আকাশে দেখা মিলবে বিখ্যাত ‘পার্সিড উল্কাপাত’-এর। একই দিনে পূর্ণ সূর্যগ্রহণ এবং নতুন চাঁদ বা অমাবস্যা থাকার কারণে আলোহীন নিঝুম আকাশে এই উল্কাবৃষ্টি অন্য যেকোনো বছরের চেয়ে অনেক বেশি স্পষ্ট ও মনোমুগ্ধকর হয়ে উঠবে। চাঁদ না থাকায় রাতের আকাশ থাকবে সম্পূর্ণ অন্ধকার, যা উল্কা দেখার জন্য একেবারে আদর্শ পরিবেশ তৈরি করবে।

প্রতি বছর জুলাই থেকে আগস্ট মাসের মধ্যে এই উল্কাবৃষ্টি দৃশ্যমান হলেও এ বছর ১২ আগস্ট রাত থেকে ১৩ আগস্টের প্রাক-ভোর পর্যন্ত এর সেরা রূপটি দেখা যাবে। আকাশ পরিষ্কার থাকলে এবং শহরের কৃত্রিম আলো থেকে দূরে গেলে এই সময়ে ঘণ্টায় প্রায় ১০০টি পর্যন্ত উল্কা ভেসে উঠতে পারে। ১০৯পি/সুইফট-টাটল নামক একটি বিশালাকার ধূমকেতুর রেখে যাওয়া ধূলিকণা ও পাথরের ধ্বংসাবশেষের মধ্য দিয়ে পৃথিবীর অতিক্রমের কারণে এই আলোর খেলা তৈরি হয়। প্রায় ১৬ মাইল ব্যাসের এই বিশাল ধূমকেতুর অংশগুলো ঘণ্টায় এক লাখ ৩৩ হাজার মাইলেরও বেশি গতিতে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে ঘর্ষণের ফলে জ্বলে ওঠে, যাকে সাধারণ মানুষ ‘তারা খসা’ বলে থাকে।

উত্তর গোলার্ধের বাসিন্দাদের জন্য গ্রীষ্মের রাতে এই দৃশ্য উপভোগ করার দারুণ সুযোগ রয়েছে। রাত ১২টার পর থেকে ভোর ৫টার মধ্যে আলোর দূষণমুক্ত যেকোনো খোলা জায়গায় গিয়ে খালি চোখেই এই উল্কাবৃষ্টি দেখা সম্ভব। যদিও এগুলো উত্তর-পূর্ব আকাশের ‘পারসিয়াস’ নক্ষত্রমণ্ডলের দিক থেকে ছুটে আসে বলে মনে হয়, তবুও পুরো আকাশের যেকোনো প্রান্তেই আলোর ছটা দেখা যেতে পারে। টেলিস্কোপ বা দূরবীন ব্যবহারে দৃষ্টিসীমা নির্দিষ্ট হয়ে যায় বলে খালি চোখে উন্মুক্ত আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকাই এই মহাজাগতিক দৃশ্য উপভোগের সেরা উপায়।

সূত্র: লাইভ সায়েন্স

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..