✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

হামলা ঠেকাতে ব্যর্থতা: মৃত্যুদণ্ড শ্রীলঙ্কার সাবেক পুলিশপ্রধানের

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৮-০১, | ১৪:৪৭:০২ |
২০১৯ সালের ইস্টার সানডের ভয়াবহ বোমা হামলা ঠেকাতে ব্যর্থ হওয়ার দায়ে শ্রীলঙ্কার সাবেক পুলিশপ্রধান পুজিথ জয়সুন্দরাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন দেশটির একটি আদালত। শুক্রবার তিন সদস্যের হাইকোর্ট বেঞ্চ তাঁকে অপরাধমূলক অবহেলার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করে এই রায় দেন।

তবে শ্রীলঙ্কায় ১৯৭৬ সাল থেকে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ওপর অনানুষ্ঠানিক স্থগিতাদেশ রয়েছে। ফলে আদালতের দেওয়া মৃত্যুদণ্ড সাধারণত যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে রূপান্তরিত হয়। বর্তমান প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা দিসানায়েকেও এই স্থগিতাদেশ বহাল রাখার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।

২০১৯ সালের ইস্টার সানডেতে প্রায় একই সময়ে শ্রীলঙ্কার তিনটি গির্জা ও তিনটি বিলাসবহুল হোটেলে ধারাবাহিক বোমা হামলা চালানো হয়। এতে ২৬০ জনের বেশি মানুষ নিহত হন। নিহতদের মধ্যে ৪২ জন ছিলেন বিদেশি নাগরিক।

হামলার পর গঠিত সংসদীয় তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়, গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর একাধিক সতর্কবার্তা পাওয়ার পরও পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হন। সেই ব্যর্থতার জেরেই জয়সুন্দরাকে অপরাধমূলক অবহেলার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।

এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ রয়েছে তাঁর। একই অভিযোগে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব হেমাসিরি ফার্নান্দোর বিরুদ্ধেও পৃথক রায় দেওয়ার কথা রয়েছে।

২০১৯ সালের ওই হামলার জন্য শ্রীলঙ্কাভিত্তিক দুটি উগ্রপন্থী গোষ্ঠীকে দায়ী করা হয়েছিল। হামলায় সরাসরি জড়িত বলে শনাক্ত ব্যক্তিদের কেউ বর্তমানে জীবিত নেই। তবে হামলাকারীদের সহযোগিতার অভিযোগে আরও কয়েকজনের বিচার চলছে।

এদিকে শ্রীলঙ্কার ক্যাথলিক চার্চের দাবি, এখন পর্যন্ত যাদের হামলার মূল হোতা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, তারা প্রকৃত পরিকল্পনাকারী নন। তাদের মতে, এই হামলার নেপথ্যে আরও বড় কোনো ষড়যন্ত্র ছিল।

সূত্র: এএফপি

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..