✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

প্রায় ১৪ হাজার বন্দিকে বাড়িতে পাঠাচ্ছে ইতালি, কী আছে নতুন আইনে

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৮-০১, | ১০:৪০:৪৩ |

কারাগারের ক্রমবর্ধমান চাপ কমাতে এবং আসক্ত বন্দিদের পুনর্বাসনের সুযোগ বাড়াতে নতুন আইন পাস করেছে ইতালি। নতুন আইনের আওতায় প্রায় ১৩ হাজার ৭০০ জন মাদক ও অ্যালকোহলাসক্ত বন্দি কারাগারের পরিবর্তে বাড়িতে থেকেই সাজা ভোগের সুযোগ পাবেন।

বুধবার ইতালির পার্লামেন্টে আইনটি ১৫৩ ভোটে পাস হয়। এর বিপক্ষে ভোট দেন ৪২ জন আইনপ্রণেতা, আর ভোটদানে বিরত থাকেন ৮২ জন।

ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি এই সিদ্ধান্তকে 'একাধিক ফ্রন্টে বিজয়' হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তাঁর ভাষ্য, এতে একদিকে কারাগারের অতিরিক্ত চাপ কমবে, অন্যদিকে আসক্ত বন্দিদের পুনর্বাসনের সুযোগও বাড়বে।

ইতালির বিচারমন্ত্রী কার্লো নর্দিও জানিয়েছেন, বর্তমানে দেশটির কারাগারগুলোতে প্রায় ৬৫ হাজার বন্দি রয়েছেন। নতুন আইনের ফলে ১০ হাজারের বেশি মাদকাসক্ত এবং প্রায় ৩ হাজার ৭০০ অ্যালকোহলাসক্ত বন্দি এর আওতায় আসতে পারেন।

অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থানের জন্য পরিচিত মেলোনি সরকারের এই সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক বিতর্কও তৈরি করেছে। তাঁর জোটের বাইরে থাকা ডানপন্থী দলগুলো অভিযোগ করেছে, সরকার অপরাধ দমনে আগের অবস্থান থেকে সরে এসেছে। অন্যদিকে বামপন্থী দলগুলো নীতিগতভাবে আইনের প্রতি সমর্থন জানালেও পুনর্বাসন কর্মসূচির জন্য বরাদ্দ তহবিলকে অপর্যাপ্ত বলে মন্তব্য করেছে।

এদিকে বন্দি অধিকারবিষয়ক সংস্থা 'অ্যান্টিগোন' সরকারের হিসাব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। সংস্থাটির দাবি, আইনে থাকা বিভিন্ন শর্ত এবং সীমিত অর্থায়নের কারণে ঘোষিত সংখ্যক বন্দি বাস্তবে এই সুবিধা নাও পেতে পারেন।

তবে ক্ষমতাসীন জোটের শরিক লিগ দলের এমপি সিমোনেত্তা মাতোনে বলেন, এই আইনের লক্ষ্য কারাগার খালি করা নয়। বরং আসক্তির চিকিৎসার মাধ্যমে অপরাধে পুনরায় জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি কমানোই এর মূল উদ্দেশ্য।

সোর্সঃ রয়টার্স

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..