✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

যুক্তরাজ্যে ইতিহাসের সর্বোচ্চ তাপপ্রবাহে অতিরিক্ত প্রায় ৩ হাজার মানুষের মৃত্যু

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৭-৩০, | ১৯:২৪:০৫ |

শীতের দেশে গ্রীষ্মের দাবদাহ এখন নতুন আতঙ্ক। ২০৫০ সালের মধ্যে যুক্তরাজ্যের ৯২ শতাংশ বাড়ি অতিরিক্ত গরমের কারণে বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়তে পারে। মে মাসের এক প্রতিবেদনে এমন শঙ্কার কথা জানিয়েছিল জলবায়ু পরিবর্তন কমিটি (সিসিসি)। বাস্তবেও মে ও জুনের রেকর্ডভাঙা তাপপ্রবাহ কেড়ে নিয়েছে অতিরিক্ত প্রায় তিন হাজার প্রাণ।

যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা সংস্থা (ইউকেএইচএসএ) বুধবার জানিয়েছে, তীব্র গরমে ইংল্যান্ডে ২,৮৭৭ জনের অতিরিক্ত মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে মে মাসে ৭৫৩ জন এবং জুনে রেড এলার্ট চলাকালে ২,১২৪ জন মারা যান। এই সংখ্যা ২০২৫ সালের পুরো গ্রীষ্মের (১,৫০৪ জন) তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ, যা জনস্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক আঘাত। ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রার দিনের সঙ্গে শীতল দিনের মৃত্যুর তুলনামূলক হিসাব করে এই তথ্য মিলেছে।

ইউকেএইচএসএ-এর বিজ্ঞানী রস থম্পসন বলেন, জনস্বাস্থ্যে গরমের এই প্রভাব অত্যন্ত উদ্বেগজনক। স্বাস্থ্যমন্ত্রী ইভেট কুপার জানান, শীতকালীন অসুস্থতায় অভ্যস্ত যুক্তরাজ্যে এখন গ্রীষ্মের দাবদাহ হাজার হাজার মানুষের স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে।

চলমান জুলাইয়ের দীর্ঘস্থায়ী তাপপ্রবাহের হিসাব এখনও যুক্ত হয়নি। তাই সংস্থাটির আশঙ্কা, ২০২৬ সাল হতে পারে সর্বোচ্চ তাপজনিত মৃত্যুর বছর। এর আগে ২০২২ সালের গ্রীষ্মে সর্বোচ্চ ২,৯৮৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল।

সিসিসি গত বছর জানিয়েছিল, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় যুক্তরাজ্য মোটেও প্রস্তুত নয়। তাই ইউকেএইচএসএ গ্রীষ্মের শুরু থেকেই প্রস্তুতির ওপর জোর দিয়েছে। চরম পরিস্থিতি এড়াতে তারা কর্মক্ষেত্রে সর্বোচ্চ তাপমাত্রার সীমা নির্ধারণ এবং স্কুল-হাসপাতালে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (এসি) চালুর সুপারিশ করেছে।

বিডিপ্রতিদিন/কেকে

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..