✕

সর্বশেষ :
মদিনা-জেদ্দার পথই এখন সৌদি আরবগামী যাত্রীদের ভরসা আর্জেন্টিনায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, বুয়েনস আইরেস বিশ্ববিদ্যালয় ভবন দখল সড়ক দুর্ঘটনা রোধে ড্রাইভিং লাইসেন্স ইস্যু ও গাড়ির ফিটনেস পরীক্ষায় কঠোরতা প্রশাসনের বিশ্বকাপে ট্রাম্পের হস্তক্ষেপের পর কঠোর নিয়ম আনছে ফিফা ইরানি স্লিপার সেলের ভয়ে ছিল আমিরাত? দুর্গাপূজার নিরাপত্তা নিশ্চিতে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে ডিএমপি: কমিশনার তিন বিভাগে বৃষ্টির আভাস আশঙ্কাজনক হারে গলছে ‘ডুমসডে গ্ল্যাসিয়ার’, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ঝুঁকিতে বিশ্ব ইন্দোনেশিয়ায় দাবানল নেভাতে গিয়ে চারজনের মৃত্যু দেশের ২৭২৭ পূজামণ্ডপে বিজিবি মোতায়েন, দুর্গম এলাকায় ২১ বেস ক্যাম্প

অতিরিক্ত খাওয়া কীভাবে বন্ধ করবেন?

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৬-২৫, | ১৮:১১:৫৩ |
অনেকেই খেয়াল না করেই প্রয়োজনের চেয়ে বেশি খেয়ে ফেলেন। কখনো আড্ডায়, কখনো উৎসবে, আবার কখনো মন খারাপের সময়। এক-দুদিন হলে সমস্যা নেই, কিন্তু যদি এটা অভ্যাসে পরিণত হয়, তাহলে শরীরের জন্য ডেকে আনতে পারে বিপদ। যা নীরবে বিশ্বজুড়ে স্থূলতা বাড়ানোর অন্যতম বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। 

গবেষণায় দেখা গেছে, খাবারের পরিমাণ যত বাড়ে, মানুষ তত বেশি খায়। কিছু বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, পরিবেশন দ্বিগুণ হলে খাবার গ্রহণ প্রায় ৩৫ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে। ফলে না বুঝেই শরীর প্রয়োজনের চেয়ে বেশি ক্যালরি গ্রহণ করছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, খাবারের এই প্রবণতা মূলত খাদ্যশিল্পের পরিবর্তন ও রেস্তোরাঁ সংস্কৃতির কারণে তৈরি হয়েছে। বড় পরিবেশনকে মানুষ ভালো ডিল হিসেবে দেখে, ফলে বেশি খাবার গ্রহণ স্বাভাবিক হয়ে উঠছে।

তবে সমস্যার মূল জায়গা শুধু প্লেটের আকার নয়, বরং অতিরিক্ত খাবারের সহজলভ্যতা। গবেষকরা বলছেন, চোখের সামনে খাবার থাকলে মানুষ অজান্তেই বারবার খেয়ে ফেলে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, মানুষের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো নিজের ক্ষুধা ও তৃপ্তির সংকেত ঠিকভাবে বুঝতে না পারা। অনেক সময় আমরা বুঝতেই পারি না কতটা খাচ্ছি এবং কতটা প্রয়োজন।

খাওয়ার অভ্যাস নিয়ন্ত্রণে বিশেষজ্ঞরা কয়েকটি সহজ পরামর্শ দিয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে—

খাবারের পরিমাণ আগে থেকেই নির্দিষ্ট করে নেওয়া, প্যাকেটজাত খাবারের ক্ষেত্রে লেবেলে দেওয়া মান অনুযায়ী খাওয়া এবং অতিরিক্ত খাবার চোখের আড়ালে রাখা।

তাদের মতে, বড় প্লেট বা পরিবেশনের প্রভাব থাকলেও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো সচেতনতা। কী খাচ্ছি, কতটা খাচ্ছি—এ বিষয়ে মনোযোগ দিলে অতিরিক্ত খাওয়ার অভ্যাস অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

বিশেষজ্ঞরা আরও বলছেন, প্রাকৃতিক খাবারের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত খাওয়ার ঝুঁকি তুলনামূলক কম হলেও প্যাকেটজাত ও প্রক্রিয়াজাত খাবারের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা জরুরি।

তাই খাওয়ার অভ্যাসে সামান্য সচেতনতা আনলেই বড় পরিবর্তন আনা সম্ভব এবং নিয়ন্ত্রণে রাখা যায় অতিরিক্ত খাওয়ার ঝুঁকি।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..