ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালিয়ে যেতে কংগ্রেসের অনুমোদন প্রয়োজন নেই বলে দাবি করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একইসঙ্গে তিনি বলেন, অতীতের অনেক মার্কিন প্রেসিডেন্টও যুদ্ধক্ষমতা সংক্রান্ত আইন মানেননি। তবে বিষয়টি নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক বিতর্ক শুরু হয়েছে।
শুক্রবার (১ মে) ইরান যুদ্ধের ৬০ দিনের সময়সীমা শেষ হওয়ার দিনে ট্রাম্প বলেন, কংগ্রেসের অনুমতি নেওয়ার বিধান কখনোই ঠিকভাবে মানা হয়নি। অতীতের বহু প্রেসিডেন্ট তা অতিক্রম করেছেন। খবর বিবিসির।
১৯৭৩ সালের যুদ্ধক্ষমতা প্রস্তাব অনুযায়ি, কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া বিদেশে মার্কিন সামরিক অভিযান ৬০ দিনের বেশি চালানো যায় না। ভিয়েতনাম যুদ্ধের অভিজ্ঞতার পর প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা সীমিত করতে আইনটি করা হয়।
হোয়াইট হাউজের দাবি, বর্তমানে কার্যকর যুদ্ধবিরতির কারণে ৬০ দিনের সময় গণনা সাময়িকভাবে স্থগিত রয়েছে। তবে বিরোধীরা বলছেন, এটি আইনের অপব্যাখ্যা।
ইতিহাস বলছে, কয়েকজন প্রেসিডেন্ট কংগ্রেসের অনুমোদন নিয়েছিলেন। রোনাল্ড রিগ্যান লেবাননে সেনা পাঠাতে, জর্জ ডব্লিউ বুশ আফগানিস্তান ও ইরাক যুদ্ধে কংগ্রেসের অনুমোদন নেন।
অন্যদিকে বিল ক্লিনটন কসোভোতে এবং বারাক ওবামা লিবিয়ায় সামরিক অভিযান চালান কংগ্রেসের স্পষ্ট অনুমোদন ছাড়াই।
বিশ্লেষকদের মতে, অতীতে এমন নজির থাকলেও ট্রাম্পের বর্তমান অবস্থান প্রেসিডেন্টের যুদ্ধক্ষমতা ও কংগ্রেসের সাংবিধানিক ভূমিকা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলেছে।
এদিকে হরমুজ প্রণালি ও ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে ওয়াশিংটন-তেহরান অচলাবস্থা অব্যাহত থাকায় সংঘাত থেকে বের হওয়ার পথ এখনও স্পষ্ট নয়।
এ জাতীয় আরো খবর..