✕
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ :- ২০২৬-০৪-২৭, | ১৯:০২:১৫ |ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সামরিক অভিযান আরো জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছিলেন গত শনিবার। এর একদিন পর গতকাল দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলার পর ব্যাপক বাস্তুচ্যুতির ঘটনা ঘটেছে।
লেবাননের বার্তা সংস্থা এনএনএ জানিয়েছে, ইসরায়েলি হামলায় জাওতার, মাইদাফৌন ও ইয়োহমর আল-শাকিফ শহরগুলো লক্ষ্যবস্তু করা হয়। পাশাপাশি দেইর সেরিয়ান ও ইয়োহমরের মধ্যবর্তী এলাকায় গোলাবর্ষণ করা হয়।
ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানগুলো শাইতিয়েহর উপকণ্ঠেও হামলা চালায় এবং টায়ার জেলার কালিলেহ শহরের একটি বাড়িতে আরেকটি বিমান হামলা হয়।
বার্তা সংস্থাটি আরো জানায়, ইসরায়েলি বাহিনী খিয়াম শহরে বড় পরিসরে ধ্বংস অভিযান চালায় এবং তাইবেহ শহরে শক্তিশালী বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে।
রিপোর্ট অনুযায়ী, রাজধানী বৈরুতের আকাশেও ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান উড়তে দেখা গেছে।
এ উত্তেজনার মধ্যে লিটানি নদীর দক্ষিণাঞ্চলের গ্রামগুলো থেকে মানুষ ব্যাপকভাবে সিদন শহরের দিকে সরে যেতে শুরু করে। এ অঞ্চলে আগেই সরে যাওয়ার সতর্কতা জারি করেছিল ইসরায়েল।
নেতানিয়াহুর দফতর থেকে দেয়া এক ঘোষণার একদিন পর হামলা বাড়ানো হয়। ওই ঘোষণায় ইসরায়েলি সেনাবাহিনীকে লেবাননে হিজবুল্লাহ লক্ষ্য করে হামলা বাড়ানোর নির্দেশ দেন তিনি।
গত ১৬ এপ্রিলের যুদ্ধবিরতির পর দক্ষিণ লেবাননের বাস্তুচ্যুত বাসিন্দারা বাড়ি ফিরতে শুরু করেছিলেন। তবে চলমান লঙ্ঘনের কারণে নতুন করে বাস্তুচ্যুতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
গত ২ মার্চ ইসরায়েলে হামলা শুরু করে হিজবুল্লাহ। এর পর থেকে লেবাননে বিমান হামলা ও দক্ষিণাঞ্চলে স্থল অভিযান চালিয়ে আসছে ইসরায়েল।
লেবাননের কর্তৃপক্ষের তথ্যানুযায়ী, ২ মার্চ থেকে ইসরায়েলের বিস্তৃত হামলায় আড়াই হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন এবং ১০ লাখের বেশি বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
১৬ এপ্রিল প্রথমে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়, তবে তা বারবার ইসরায়েলের পক্ষ থেকে লঙ্ঘিত হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, হোয়াইট হাউজে দ্বিতীয় দফা উচ্চপর্যায়ের আলোচনার পর ইসরায়েল ও লেবানন যুদ্ধবিরতি আরো তিন সপ্তাহ বাড়াতে সম্মত হয়েছে।
সূত্র: আনাদোলু