✕

সর্বশেষ :
পশ্চিম তীরে জলপাই সংগ্রহে বাধা, আটক ফিলিস্তিনি নারীরা খুলনায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কলেজছাত্র নিহত ইন্সপেক্টর পদে পদোন্নতি পেলেন ১৪৯ পুলিশ সদস্য হুতির হামলায় অস্থির সৌদি, একের পর এক ভুলের খেসারত দিচ্ছে রিয়াদ সৌরবিদ্যুতে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা নতুন ঋণচুক্তির বিষয়ে আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নিচ্ছে বাংলাদেশ চার বছরে তাপপ্রবাহে ইউরোপে ২ লাখের বেশি মৃত্যু, সতর্ক করল ডব্লিউএইচও বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হওয়ার পথে ইলন মাস্ক যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতে কোভিড আমলের ঝুঁকিতে বৈশ্বিক অর্থনীতি : বিশ্বব্যাংক সমুদ্রের তলদেশে বিশ্বের প্রথম বায়ুবিদ্যুৎচালিত ডেটাসেন্টার চালু করল চীন

ঋণ নয় বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতিতে যেতে চায় সরকার: অর্থমন্ত্রী

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৪-০১, | ১৫:১৭:১০ |
ঋণনির্ভর অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতিতে যেতে চায় বর্তমান সরকার, এমনটা জানিয়েছে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, আমরা এখন টাকা ছাপাতে চাই না। বিনিয়োগ আকৃষ্ট চাই। দেশী ও বিদেশী বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে হবে এবং এর মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে।


রাজধানীর আগারগাঁওয়ের জাতীয় রাজস্ব ভবনে (এনবিআর) কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে আজ সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

আমীর খসরু মাহমুদ বলেন, জিডিপির আকারের সঙ্গে কর-জিডিপি রেশিও সবই সম্পর্কিত। অর্থনীতিকে যদি আমরা চাঙ্গা করতে না পারি, দিনের শেষে ট্যাক্স-জিডিপি বাড়ানো কঠিন। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে ঋণনির্ভর অর্থনীতি থেকে বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতি। আমরা টাকা ছাপাতে চাই না। বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে হবে। দেশী ও বিদেশী বিনিয়োগের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে।

বিনিয়োগনির্ভরতাকে সামনে রেখে বাজেট পরিকল্পনা হবে বলে জানান তিনি। মন্ত্রী বলেন, যাতে বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশের ওপর আস্থা রাখতে পারে। আমাদের বড় সমস্যা হচ্ছে, নীতিগুলো দীর্ঘমেয়াদে ধরে রাখতে পারি না। নীতি পরিবর্তন হলে বিনিয়োগকারীদের কাছে ভুল বার্তা যায়। আমরা চাই নির্দিষ্ট সময়সীমার জন্য স্থিতিশীল থাকুক নীতিগুলো, যাতে বিনিয়োগকারীরা পরিকল্পনা করে বিনিয়োগ করতে পারেন। এ আস্থা না থাকলে কেউ বিনিয়োগ করবে না। না দেশী, না বিদেশী। বিষয়গুলো আমরা পর্যালোচনা করছি।

নারী, শিশু ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য ভর্তুকি ও সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে আসন্ন বাজেটে। বাজেট প্রণয়নে সব শ্রেণী-পেশার মানুষের বিষয়টি বিবেচনায় নেয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের ফলে সৃষ্ট জ্বালানি সংকট নিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে একটি ত্রিমুখী চ্যালেঞ্জে আছি। তবে জ্বালানি সংকট নিরসনে সরকার কাজ করছে।

এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনে আপনাদের কোনো সুসংবাদ আছে কি-না, জানতে চাইলে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, প্রক্রিয়া চলছে। এটা জাতিসংঘ অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদে (ইকোসক) যাবে, ওখান থেকে জেনারেল অ্যাসেম্বলিতে যাবে। দেখা যাক কী হয়। প্রধানমন্ত্রী চিঠি পাঠাবেন তিন বছর পেছানোর জন্য।

চিঠি পাঠানোর বিষয়টির অগ্রগতি কত দূর, প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘না, ওই অগ্রগতি তো এটাই। এখান এটা ইকোসকে যাবে, ওখান থেকে পাস হয়ে জেনারেল অ্যাসেম্বলিতে যাবে। আমরা দেখি কী হয়। প্রক্রিয়া তো চলমান।’

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..