মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি ও ভোজ্যতেলের বুকিং দর ঊর্ধ্বমুখী হলেও দেশের বাজারে এর উল্টো চিত্র দেখা যাচ্ছে।
বিশ্ববাজারে সয়াবিন ও পাম অয়েলের দাম বাড়লেও দেশের পাইকারি বাজারে ভোজ্যতেলের দাম আগের চেয়ে কিছুটা নিম্নমুখী।
দেশের বৃহত্তম পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত কয়েক মাসের ব্যবধানে পাইকারিতে পরিশোধিত সয়াবিনের দাম মণপ্রতি প্রায় ৬০০ টাকা কমেছে। দুই মাস আগে যেখানে প্রতি মণ (৩৭ দশমিক ৩২ কেজি) সয়াবিনের দাম ছিল ৭ হাজার ৪০০ টাকা, তা বর্তমানে কমে ৬ হাজার ৭৫০ থেকে ৬ হাজার ৮০০ টাকার মধ্যে লেনদেন হচ্ছে। একই চিত্র দেখা গেছে পাম অয়েলের ক্ষেত্রেও। ফেব্রুয়ারির শেষে প্রতি মণ পাম অয়েলের দাম ৬ হাজার ২৬০ টাকা পর্যন্ত উঠলেও বর্তমানে তা কমে ৫ হাজার ৮৫০ থেকে ৫ হাজার ৯০০ টাকায় নেমে এসেছে।
ব্যবসায়ীরা জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা থাকলেও স্থানীয় বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকায় এবং এসও (সরবরাহ আদেশ) লেনদেনের প্রভাবে দাম কমতির দিকে। তবে পাইকারি বাজারে দাম কমলেও খুচরা পর্যায়ে এখনো সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে কিছুটা বেশি দামে তেল বিক্রি হচ্ছে। গত ৭ ডিসেম্বর সরকারের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে নির্ধারিত দাম অনুযায়ী, প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন ১৯৫ টাকা, পাঁচ লিটার ৯৫৫ টাকা এবং খোলা পাম অয়েল ১৬৬ টাকা দরে বিক্রি হওয়ার কথা। কনজিউমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) মতে, এ নিম্নমুখী প্রবণতার সুফল সাধারণ ভোক্তার কাছে পৌঁছে দিতে নিয়মিত বাজার মনিটরিং জরুরি।
এ জাতীয় আরো খবর..