ময়মনসিংহ-৪ সদর আসনের মহাকালি গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে লাইনে দাঁড়িয়ে এক একে ভোট দিলেন একই পরিবারের তিন নারী।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় ইসরাত জাহান সিঁথি তার মা মাহফুজা আক্তার ও আশির্ধ্বো দাদি হোসনে আরা বেগমকে নিয়ে প্রথমবার ভোট দেন। দীর্ঘদিন পর একসঙ্গে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিতে পেরে দারুণ খুশি তারা।
ময়মনসিংহ নগরীর দূর্গাবাড়ি বাইলেনের বাসিন্দা ইসরাত জাহান সিঁথি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাইকোলজি বিভাগের মার্স্টাসের শিক্ষার্থী। গত ১০ ফেব্রুয়ারি তিনি রাজশাহী থেকে শুধুমাত্র ভোট দিতে ছুটে আসেন নিজ বাড়িতে। প্রথমবার ভোট দিতে পারায় আনন্দে উদ্বেলিত ইসরাত সাংবাদিকদের বলেন, ‘এবারই প্রথম ভোট দিলাম। বেশ আমেজ এবং উৎসব উৎসব ভাব। ভালো লাগছে। কে জিতবে কে হারবে, জানিনা। হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে এটুকুই জানি। তবে ভোট দিতে পেরে অনেক ভালো লেগেছে।’
তিনি বলেন, ‘নতুন প্রজন্মের আরও ভোটার চাচাতো ভাই-বোনকে নিয়ে এসেছি। মা ও দাদিও এসেছেন একসঙ্গেই।’
তিনি বলেন, ‘আগের নির্বাচনে ভোটার হয়েছি কিন্তু গোলযোগের আশঙ্কা আর তৎকালীন উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ভোট দেওয়া হয়নি।’
এদিকে আশির্ধ্বো হোসনে আরা বেগম নাতী ও মেয়ের কাঁধে ভর দিয়ে ভোট কক্ষে প্রবেশ করে নিজের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে হাসি মুখে ফিরছিলেন। সাংবাকিদের ভাঙ্গা স্বরে জানান, অনেক দিন ভোট দেইনা, তাই এবার ভোট দিতে পেরে আমি অনেক খুশি।
ইসরাতের মা মাহফুজা আক্তার শ্বাশুড়ি ও মেয়েকে নিয়ে ভোট দিতে পেরে দারুণ খুশি। তিনি বলেন, ‘এমন সৌভাগ্য ক'জনের হয়। এবার একসঙ্গে ভোট দিতে পেরে অনুভূতিটাই অন্য রকম।’ ভোটের পরিবেশ খুব ভালো বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এ জাতীয় আরো খবর..