সর্বশেষ :
একসঙ্গে প্রেমিক-প্রেমিকার বিষপান, প্রেমিকার মৃত্যু ইসরায়েলের ওপর বেজায় চটেছেন ব্রিটিশ এমপিরা! ২য় দফার আলোচনায় মার্কিন প্রতিনিধি দলে থাকছেন না ভ্যান্স: ট্রাম্প সেনা ও যুদ্ধবিমান মোতায়েনে সম্মত ভারত-রাশিয়া শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত শত্রুর মোকাবিলা করবে সেনাবাহিনী: সেনাপ্রধান ইরানের হাতে যুদ্ধবিমান ধ্বংস, খবর শুনেই কয়েক ঘণ্টা চিৎকার করেছিলেন ট্রাম্প! ‘আর ভদ্রলোক থাকব না’, ইরানকে নতুন হুমকি ট্রাম্পের দেশব্যাপী হামের টিকাদান কার্যক্রম শুরু হচ্ছে সোমবার ‘খারাপ লাগার অনুভূতি ক্যামেরার সামনে প্রকাশ করতে চাই না’ ইমেজ সেন্সর তৈরিতে সনিকে ৩৮ কোটি ডলার দিচ্ছে জাপান সরকার

শীতকালে হৃদরোগীদের সাবধানতা

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৩-১২-১৮, | ১০:০৩:৫৬ |

হৃদরোগীদের জন্য শীতকাল খুব একটা সুখকর নয়। যার ফলাফলস্বরূপ হাসপাতালে হৃদরোগীদের ভর্তি লক্ষণীয়ভাবে বৃদ্ধি পায়। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, শীতকালে মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন, এনজিনা পেকটোরিস, এট্রিয়াল ও ভেন্ট্রিকুলার এরিদমিয়া, হার্ট ফেইলিওর, উচ্চ রক্তচাপ বৃদ্ধি পায়।

শীতকালে হৃদরোগীদের সাবধানতা সম্পর্কে জানাচ্ছেন—

অধ্যাপক ডা. মো. মাহবুবুর রহমান বাবু

অধ্যাপক (কার্ডিওলজি)

জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল

শেরেবাংলানগর, ঢাকা

ঠাণ্ডা আবহাওয়া, বিশেষত যখন তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নামে, তখন দেহের তাপমাত্রা ঠিক রাখতে মানবদেহের বিপাক বৃদ্ধি পায়।

ফলে হৃদযন্ত্রের কাজ বৃদ্ধি পায়, যা আপনার হৃদস্পন্দন এবং রক্তচাপ বৃদ্ধির কারণ হতে পারে। তা ছাড়া ঠাণ্ডায় রক্তনালি সংকুচিত হয় এবং হৃৎপিণ্ডকে রক্ত পাম্প করতে আরো কঠোর পরিশ্রম করতে হয়। ঠাণ্ডায় রক্তে ফিব্রিনোজেন, ক্যাটাকোলামাইনের মতো কিছু প্রোটিন ও হরমোন বৃদ্ধি পাওয়ায় রক্ত জমাট বাঁধার প্রবণতাও বেড়ে যায়। পুরুষদের মধ্যে এই প্রবণতা অধিক।

কিছু পরোক্ষ কারণও হৃদরোগের আশঙ্কা ও জটিলতা বৃদ্ধি করে। যেমন—ঠাণ্ডাজনিত সর্দি-কাশি, ঘরে অবস্থান ও কম কায়িক শ্রম, অধিক ক্যালরিযুক্ত খাদ্য গ্রহণ ইত্যাদি।

করণীয়

* আপনার যদি হৃদরোগ বা উচ্চ রক্তচাপ (উচ্চ রক্তচাপের) মতো সমস্যা থাকে, তাহলে নিয়মিত চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে চেকআপ করাবেন। সামান্য বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, অস্বস্তি বা বুক ধড়ফড় করাকে অবহেলা করবেন না।

* অধিক কায়িক পরিশ্রম থেকে বিরত থাকবেন। তবে নিয়মিত হালকা ব্যায়াম করবেন।

* ঠাণ্ডাজনিত রোগ এড়াতে গরম কাপড় ও মাস্ক ব্যবহার করবেন।

* ধূমপান পরিহার করবেন।

* অধিক ক্যালরি সমৃদ্ধ খাদ্য, যেমন—মিষ্টি, পিঠা, তেল, ঘি, লবণ যথাসম্ভব এড়িয়ে চলবেন।

প্রচুর পরিমাণে তাজা ফলমূল ও শাক-সবজি খাবেন। অতি ভোজন পরিহার করবেন। যথেষ্ট পরিমাণ পানি পান করুন।
* পুরুষ ও মহিলাদের হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণগুলো জেনে নিন।

* মানসিক চাপ এবং উদ্বেগ এড়িয়ে চলুন। রাতে ভালো ঘুম নিশ্চিত করুন।

* অতিরিক্ত গরম পোশাক পরা থেকে বিরত থাকুন এবং স্তরে স্তরে গরম কাপড় ব্যবহার করুন। যাতে গরম লাগলে আপনি একটি একটি করে পোশাক খুলে রাখতে পারেন। বেশি গরমও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..