✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

রামু ট্র্যাজেডি

১৪ বছরেও নিষ্পত্তি হয়নি ১৮টি মামলার একটিও

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৯-২৯, | ১৩:২৩:১৮ |
২০১২ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি গুজবকে কেন্দ্র করে কক্সবাজারের রামুর বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের ওপর হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। আগুন দেয়া হয় বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের বাড়িঘরে। ভাঙচুর করা হয় শত বছরের পুরোনো মূর্তি ও বৌদ্ধমন্দির। আগুনের লেলিহান শিখায় ক্ষতিগ্রস্ত হয় রামুর ইতিহাস, ঐতিহ্য আর সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বহু স্মৃতি।

সেই ক্ষতচিহ্ন মুছে ফেলতে পরবর্তীতে নানা উদ্যোগে পুনর্নির্মাণ করা হয় ক্ষতিগ্রস্ত বৌদ্ধবিহার ও স্থাপনাগুলো। তবে সময় গড়ালেও থামেনি বিচারপ্রক্রিয়ার দীর্ঘ অপেক্ষা। ঘটনার ১৪ বছর পরও ১৮টি মামলার কোনোটির নিষ্পত্তি হয়নি।

বৌদ্ধ সুরক্ষা পরিষদের সভাপতি প্রজ্ঞানন্দ ভিক্ষু বলেন, আমাদের এই দেশ অসাম্প্রদায়িক দেশ। সাম্প্রদায়িক চিন্তাধারা ফেলে দিয়ে সবাই মিলে মিশে থাকতে চাই।

ঘটনার এত বছর পরও নিরাপত্তাহীনতায় বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের অনেকেই। প্রকৃত দোষীদের শনাক্ত করে দ্রুত বিচারের আওতায় আনার দাবি তাদের।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীর দাবি, তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার ঘটনাটিকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছিল। তার অভিযোগ, প্রকৃত আসামিদের বাদ দিয়ে বিরোধীমতের ব্যক্তিদের মামলায় আসামি করা হয়েছে।

কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মোহাম্মদ ইউনূছ বলেন, যাদের সাক্ষী করা হয়েছিল, তাদের অনেকেই এখন সেখানে নাই। কেউ মুক্তি পেয়েছেন, কেউ এলাকা ছেড়ে চলে গেছেন। আর যারা আছেন তাদের মধ্যে অনীহা তৈরি হয়েছে, যার কারণে সাক্ষীরা আসছে না। আমরা সাক্ষীদের আনার জন্য রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে চেষ্টা করছি।

এ ঘটনায় ১৮টি মামলার মধ্যে চারটি রাজনৈতিক বিবেচনায় প্রত্যাহার করা হলেও বাকি ১৪টি মামলা ঝুলে আছে সাক্ষীর অভাবে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..