✕
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ :- ২০২৬-০৯-২৫, | ২০:৪৩:২০ |নাটোর শহরে সাত বছর বয়সী এক শিশুর ডান হাতের একটি আঙুলের অংশ কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পুলিশ কনস্টেবল শাকিল হোসেন ও তাঁর স্ত্রী নাসরিন সুলতানার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ওই দম্পতিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আহত শিশুটিকে নাটোর সদর হাসপাতাল থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহীতে পাঠানো হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার সকালে শহরের চেয়ারম্যান রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। রাতে শিশুটির বাবা বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন। শুক্রবার সকালে গ্রেফতার দুজনকে আদালতে পাঠানো হয়।
আহত শিশুটির নাম বাইজিদ। অভিযুক্ত শাকিল হোসেন নাটোর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে কর্মরত এবং স্ত্রী ও চার বছর বয়সী মেয়েকে নিয়ে শিশুটির বাবার বাড়ির দ্বিতীয় তলায় ভাড়া থাকতেন।
এজাহারে বলা হয়েছে, গত ২৩ সেপ্টেম্বর বুধবার সন্ধ্যায় ওই বাড়িতে আয়োজিত পিকনিকে শাকিল-নাছরিনের পাঁচ বছর বয়সী মেয়ে ইবনাতের সঙ্গে বায়েজিদের খেলাধুলা নিয়ে ধাক্কাধাক্কি হয়। পরে উভয় পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি মীমাংসা করেন। কিন্তু ওই ঘটনার জের ধরে পরদিন বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পুলিশ কনস্টেবল শাকিল ও তাঁর স্ত্রী শিশুটির বাড়িতে গিয়ে তাকে জোর করে তুলে তাদের ফ্ল্যাটে নিয়ে দরজা বন্ধ করে দেন। সেখানে কনস্টেবলের স্ত্রী তার ডান হাতের শাহাদত আঙুল খাটের পায়ার ওপর চেপে ধরেন এবং কনস্টেবল শাকিল ধারালো বটি দিয়ে আঙুলে একাধিকবার কোপ দেন। এতে আঙুলটি হাত থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং শিশুটি গুরুতর আহত হয় বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।
পরে আশপাশের লোকজন তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে শিশুটি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
নাটোর সদর থানার ওসি মনসুর রহমান বলেন, অভিযুক্ত কনস্টেবল ও তার স্ত্রীকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।