✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

চলে গেলেন ইতালি ও ইন্টারের কিংবদন্তি মাজ্জোলা

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৯-১৯, | ১৮:৩৭:৫২ |

না ফেরার দেশে চলে গেলেন ইতালির ফুটবল কিংবদন্তি সান্দ্রো মাজ্জোলা। তার বয়স হয়েছিলো ৮৩ বছর। ইন্টার মিলান তাদের ইতিহাসের অন্যতম সেরা স্ট্রাইকারের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে।

মাজ্জোলার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ইন্টার মিলান বিবৃতিতে লিখেছে, ‘সান্দ্রো মাজ্জোলা শুধু ইন্টার মিলানের ইতিহাসেই নন, ফুটবল ইতিহাসেরই অন্যতম সেরা ফুটবলার ছিলেন। ছিলেন ইন্টারের ইতিহাসের সমার্থক। ছোটবেলায় যোগ দেওয়ার পর কখনো ক্লাব ছেড়ে যাননি। ’

১৮ বছর বয়সে জুভেন্টাসের বিপক্ষে অভিষেক হয় মাজ্জোলার। তার অভিষেকের দিন স্টেডিয়ামে দর্শকদের অনাকাঙ্ক্ষিত প্রবেশের কারণে বিতর্কের সৃষ্টি হলে ম্যাচটি পুনরায় হয়। পেনাল্টিতে ৯-১ ব্যবধানে হারের সেই ম্যাচে ইন্টারের একমাত্র গোলটি করেছিলেন তিনিই। তুরিন যাওয়ার আগে স্কুলের পরীক্ষা শেষ করেছিলেন মাজ্জোলা।

সেই ম্যাচের উদাহরণ টেনে মাজ্জোলা সম্পর্কে ইন্টার লিখেছে, ‘গোঁফওয়ালা সেই তারকা মাঠে যেমন উজ্জ্বল ছিলেন, আজও তেমনই আছেন। তিনি প্রায়ই বলতেন, তার একটাই শেষ ইচ্ছা—তাকে যেন একজন ভালো মানুষ হিসেবে মনে রাখা হয়। এমন একজন ব্যক্তি, যিনি জয় অসম্ভব জেনেও শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যান, ঠিক যেমনটি তিনি করেছিলেন সেই ৯-১ গোলের ম্যাচে।’

দীর্ঘ ১৭ বছরের পুরোটা সময় ইন্টার মিলানে কাটিয়েছেন মাজ্জোলা। দলের হয়ে ৫৬৬ ম্যাচে গোল করেছেন ১৬২টি। নেরাজ্জুরিদের হয়ে চারটি সেরি আঁ শিরোপা এবং দুটি ইউরোপীয় কাপ জিতেছেন। ১৯৬৪ সালে রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে ইউরোপীয় কাপের ফাইনালে ৩-১ ব্যবধানের জয়ে জোড়া গোল করেন তিনি। পরের বছরও দলকে চ্যাম্পিয়নশিপ ট্রফি জয়ে অনবদ্য অবদান রাখেন।

ইতালির হয়ে ১৯৬৮ সালের ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ জিতেন মাজ্জোলা। এ ছাড়া ১৯৭০ মেক্সিকো বিশ্বকাপের ফাইনালেও ছিলেন তিনি। ইতালির হয়ে ৭০ ম্যাচে করেছেন ২২ গোল। অ্যাসিস্ট করেছেন ৫টি। ১৯৭৭ সালে অবসর নেওয়ার পর ইন্টার মিলান ও তুরিনো—উভয় ক্লাবের স্পোর্টিং ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মাজ্জোলা। 

বাবা ভ্যালেন্টিনো মাজ্জোলাও ফুটবলের কিংবদন্তি। ১৯৪৯ সালে মর্মান্তিক সুপেরগা বিমান দুর্ঘটনায় মাজ্জোলার বাবাসহ তুরিনোর পুরো দলটির খেলোয়াড়-কোচরা প্রাণ হারান। তখন তার বয়স ছিল মাত্র ৬ বছর। তুরিনোর অধিনায়ক ছিলেন ভ্যালেন্টিনো।

সূত্র: গোল ডট কম

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..