✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

স্কুলে অভিবাসী শিশুর সংখ্যা বেঁধে দিতে চায় ইতালি

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৮-২৯, | ০১:০৯:০৫ |

ইতালির স্কুলগুলোর শ্রেণিকক্ষে অভিবাসী শিশুর সংখ্যা সর্বোচ্চ ৩০ শতাংশে সীমাবদ্ধ রাখার প্রস্তাব করেছে প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির সরকার। একই সঙ্গে স্কুলে মেয়ে শিক্ষার্থীদের বোরখা পরার ওপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করতে চান দেশটির শিক্ষামন্ত্রী জুসেপ্পে ভালদিতারা।

মূলত অভিবাসীদের সমাজের মূলধারার সঙ্গে সম্পৃক্ত করা এবং সাংস্কৃতিক বিচ্ছিন্নতা রুখতে রক্ষণশীল জোট সরকার এই পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে। এর অংশ হিসেবে অভিবাসী শিশুদের মা-বাবার জন্য ইতালিয়ান ভাষা শেখা বাধ্যতামূলক করতে চায় সরকার।

নতুন নীতিতে বলা হয়েছে, সন্তানদের স্কুলে না পাঠালে অভিভাবকদের বিরুদ্ধে মামলা এবং দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। এ বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী জুসেপ্পে ভালদিতারা বলেন, শ্রেণিকক্ষে বিদেশি শিশুদের অনুপাত মাত্রাতিরিক্ত না হওয়াটা জরুরি। কারণ তাদের সংখ্যা বেশি হলে তাদের পক্ষে ইতালীয় ভাষা এবং আমাদের সমাজের মূল্যবোধ শেখা কঠিন হয়ে পড়ে।

তিনি জানান, ইতালিয়ান শিশুদের স্কুলে অনুপস্থিতির হার মাত্র ৬ শতাংশ হলেও, অভিবাসী শিশুদের ক্ষেত্রে এই হার ২৬ শতাংশ। আগামী শরতে শিক্ষক, শ্রমিক ইউনিয়ন ও রাজনীতিবিদদের নিয়ে আয়োজিত সম্মেলনে এসব প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হবে।

বর্তমানে ইতালির স্কুলগুলোতে প্রায় ৯ লাখ ৩০ হাজার অ-ইতালীয় শিশু পড়াশোনা করছে, যা মোট শিক্ষার্থীর প্রায় ১২ শতাংশ। এর মধ্যে এক-পঞ্চমাংশ বাংলাদেশসহ এশিয়ার বিভিন্ন দেশ থেকে এসেছে। তবে সন্তানদের স্কুলে না পাঠালে অভিভাবকদের কারাদণ্ড দেওয়ার প্রস্তাবটিকে ‘অদূরদর্শী’ আখ্যা দিয়েছে শিক্ষকদের ইউনিয়ন এফএলসি-সিজিআইএল।
ইউনিয়নটি বলেছে, অভিবাসী শিশুদের অভিভাবকদের জন্য ইতালীয় ভাষা শেখা বাধ্যতামূলক করা কোনোভাবেই সমাজে একীভূতকরণের পদক্ষেপ নয়। এটি আদেশের মাধ্যমে চাপিয়ে দেওয়া এক ধরনের শাস্তি, যা ঠিক বিপরীত পরিণতি ডেকে আনার ঝুঁকি তৈরি করে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..