✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

সন্দেহভাজন ড্রোন হামলার ২ দিন পর জার্মান সামরিক ঘাঁটির আকাশে আবারও ড্রোন

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৮-০৮, | ২১:২১:৫৯ |

পূর্ব জার্মানির লাইপজিগ/হালে বিমানবন্দরে বিস্ফোরকভর্তি ড্রোন উদ্ধারের ঠিক দুই দিনের মাথায় এবার পশ্চিম জার্মানির একটি সামরিক ঘাঁটির আকাশে দুটি ড্রোন উড়তে দেখা গেছে। শনিবার জার্মান কর্তৃপক্ষ নতুন এই নিরাপত্তা হুমকির কথা জানিয়েছে।

জার্মান সশস্ত্র বাহিনীর মুখপাত্র জানান, বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে নর্থ রাইন-ওয়েস্টফালিয়া রাজ্যের মেকেরনিচ ঘাঁটিতে ড্রোন দুটি শনাক্ত হয়। বেলজিয়াম সীমান্ত থেকে মাত্র ৩৫ কিলোমিটার দূরের এই ঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রের ‘প্যাট্রিয়ট’ আকাশপ্রতিরক্ষা ব্যবস্থার রক্ষণাবেক্ষণ কর্মীরা থাকেন। এছাড়া এখানে সামরিক সরঞ্জাম ও যন্ত্রাংশ রাখার অত্যন্ত সুরক্ষিত একটি ভূগর্ভস্থ ভান্ডারও রয়েছে।

ড্রোন শনাক্ত হওয়ার পরপরই সেখানে মিলিটারি পুলিশ মোতায়েন করা হয়। বর্তমানে নিকটস্থ ইউস্কির্চেন শহরের পুলিশ বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করছে। তবে তারা বিস্তারিত কিছু জানায়নি।

এর আগে মঙ্গলবার রাতে লাইপজিগ/হালে বিমানবন্দরে যে ড্রোনটি পাওয়া গিয়েছিল, সেটি ইউক্রেনের কয়েকটি ‘আন্তোনভ আন-১২৪’ কার্গো বিমানের খুব কাছে ছিল। বিমানবন্দরটি মূলত ন্যাটো ও বেসামরিক পণ্য পরিবহনের একটি বড় হাব।

পরপর এমন জোড়া ঘটনার পর ন্যাটোর আকাশসীমার নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। জার্মানির মতো কৌশলগত দেশগুলো এ ধরনের নতুন নিরাপত্তা হুমকি মোকাবিলায় আদৌ প্রস্তুত কি না, তা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক।

জার্মান সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বিদেশি রাষ্ট্রকে দায়ী না করলেও, কিছু আইনপ্রণেতা সরাসরি রাশিয়াকে কাঠগড়ায় তুলেছেন। ২০২২ সাল থেকে ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত থাকা রাশিয়ার দূতাবাস অবশ্য শুক্রবার এই অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছে। তারা এই ঘটনাকে প্রমাণ ছাড়া ‘বানোয়াট উসকানি’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..