✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

দিল্লিতে হাসিনার বক্তব্য নিয়ে যা বলছে ভারত

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৮-০৭, | ১৯:১৪:০৪ |
সম্পতি দিল্লিতে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া বক্তব্যের সঙ্গে ভারত সরকারের কোনো সম্পর্ক বা সমর্থন নেই বলে জানিয়েছেন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল। 

শুক্রবার (৭ আগস্ট) সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই অবস্থান পরিষ্কার করেন। 

রণধীর জয়সওয়াল বলেন, যে সংবাদ সম্মেলন বা ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানের কথা বলা হচ্ছে, সেটি সম্পূর্ণভাবে একটি বেসরকারি মাধ্যম বা সংস্থার নিজস্ব উদ্যোগ। ওই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের বর্তমান সরকার বা সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে যেসব বক্তব্য বা মতামত তুলে ধরা হয়েছে, সেগুলোর সঙ্গে ভারত সরকারের কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা বা সমর্থন নেই। 

ব্রিফিংয়ে তিনি আরও বলেন, আঞ্চলিক পরিস্থিতির আলোকে নিজেদের স্বার্থ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে। একই সঙ্গে প্রতিবেশী দেশগুলোর সব ধরনের কর্মকাণ্ড তারা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং সেগুলোকে জাতীয় নিরাপত্তার দৃষ্টিকোণ থেকে মূল্যায়ন করছে ভারত সরকার।

রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেও ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে অর্থনৈতিক ও জ্বালানি খাতে সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান ভারতের মুখপাত্র জয়সওয়াল।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি ভারতে বিদেশি সংবাদদাতাদের একটি ক্লাবে শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে শুক্রবার ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (এমইএ) স্পষ্ট করেছে, ওই অনুষ্ঠানের আয়োজনে ভারত সরকারের কোনো ভূমিকা ছিল না। এটি একটি বেসরকারি গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের আয়োজিত অনুষ্ঠান ছিল।

তবে এ ঘটনার পরই তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সরকার। গণহত্যার অভিযোগের মুখে থাকা শেখ হাসিনাকে কিভাবে প্রকাশ্যে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হলো, তা নিয়ে ঢাকার পক্ষ থেকে কঠোর ভাষায় অসন্তোষ জানানো হয়। একই সঙ্গে এ ঘটনার নেতিবাচক প্রভাব দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে পড়তে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..